প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও তার স্ত্রী সাক্ষী সিং ধোনি। ছবি: সংগৃহীত

অবসরের পর সেনাবাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন ধোনি!

ধোনির দীর্ঘদিনের বন্ধু ও ব্যবসায়ীক পার্টনার অরুন পান্ডে অবশ্য বলছেন ভিন্ন কথা।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৫১ আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৫১
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৫১ আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৫১


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও তার স্ত্রী সাক্ষী সিং ধোনি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে অবসরের গুঞ্জনটা বেশ পুরোনো।  ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ওয়ানডে বিশ্বকাপ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ক বলে অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, ব্যাট-প্যাড তুলে রেখে রাজনীতির আঙিনায় পা রাখতে যাচ্ছেন ধোনি।

ভারতের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম আরও দাবি করেছিল, দেশটির বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিতে যাচ্ছেন ধোনি। তবে এই বিষয়ে ধোনি কিংবা বিজেপি কারও কাছ থেকে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

এরই মধ্যে ধোনির অবসর নিয়ে পাওয়া গেল নতুন তথ্য। সম্প্রতি ধোনির ম্যানেজার ইঙ্গিত দিয়েছেন, শিগগিরই ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে যাচ্ছেন ভারতের সাবেক এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। অবসরের পর ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও যোগ দিতে পারেন তিনি।

শুধু তাই নয়, সেনাবাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য হতে চান ভারতের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ধোনির দীর্ঘদিনের বন্ধু ও ব্যবসায়ীক পার্টনার অরুন পান্ডে অবশ্য বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানিয়েছেন, এখনই অবসর নিয়ে ভাবছেন না ধোনি।

সেনাবাহিনীর প্রতি ধোনির ভালোবাসাটা বেশ পুরনো। অনেকদিন থেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর আঞ্চলিক বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে আসীন আছেন ধোনি। ২০১১ সালে তাকে সম্মানসূচক এই পদবী দেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর সংক্ষিপ্ত ট্রেনিংয়েও অংশ নেন তিনি। ভারতের প্যারা স্পেশাল ফোর্সের হয়েও অনুশীলন করেছেন তারকা এই ক্রিকেটার।

এখানেই শেষ নয়। সেনাবাহিনীর প্যারামিলিটারি ডিভিশনের লোগো সম্বলিত গ্লাভস পরে বিশ্বকাপে মাঠে নামতে দেখা যায় ধোনিকে। সেনাবাহিনীর প্রতি আবেগ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ থেকে এই কাজ করেছিলেন ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই অধিনায়ক।

এজন্য অবশ্য বেশ সমালোচিত হতে হয়েছিল ধোনিকে। এমনকি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলও (আইসিসি) গ্লাভসে লোগো থাকার বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত আইসিসির নির্দেশে গ্লাভস থেকে লোগো সরাতে বাধ্য হন তিনি।

প্রিয় খেলা/আশরাফ