প্রতীকী ছবি

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সহজ কৌশল

যেকোনো সম্পর্কই তৈরি করা কঠিন কাজের মধ্যে একটি। তৈরি হওয়া সম্পর্কটা অনেকটা চারাগাছের মতো।

জেড.আই জহির
লেখক
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০১৮, ১৪:৫৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৮:০০
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০১৮, ১৪:৫৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৮:০০


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) যেকোনো সম্পর্কই তৈরি করা কঠিন কাজের মধ্যে একটি। তৈরি হওয়া সম্পর্কটা অনেকটা চারাগাছের মতো। চারাগাছ যদি লাগিয়ে ভুলে যান, আর মনে করেন নিজে নিজেই বেড়ে উঠবে, তাহলে সেটা আপনার ভুল ধারণা।

প্রয়োজনীয় পানি আর খাদ্যের অভাবে ধীরে ধীরে চারাগাছটি শুকিয়ে যাবে। আর তৈরি হওয়া নতুন সম্পর্কটা ঠিক এমনই। সম্পর্ক তৈরি করে ফেলে রাখলে গতিও হারিয়ে ফেলে। তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তার যত্ন নিতে হয়। তার জন্য আহামরি কিছু করতে হয় না, ছোটখাটো কিছু টিপসে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় সহজে। প্রিয়.কমের পাঠকদের জন্য রইল সেই টিপস।

যোগাযোগ: সকালে একবার গুড মর্নিং (শুভ সকাল), রাতে গুড নাইট (শুভ রাত্রি) বা গুড মর্নিং/গুড নাইট মেসেজ পাঠিয়েই যদি ভাবেন আপনার কাজ শেষ, তাহলে খুব ভুল ভাবছেন। সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করতে কিংবা টিকিয়ে রাখতে হলে রয়েছে আরও কিছু করণীয়। যেকোনো বিষয় কিংবা নিজের অনুভূতিগুলো লুকিয়ে না রেখে, সরাসরি তার সঙ্গে শেয়ার করুন। পাশাপাশি তাকেও তার অনুভূতি ব্যক্ত করার সুযোগ করে দিন।

অভিনন্দন: যেকোনো ব্যক্তিকে খুশি করার মুখ্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে প্রশংসা। প্রেমের ক্ষেত্রে ‘দড়ি’ হিসেবে কাজ করে। অভিনন্দন, শুভেচ্ছা অথবা প্রশংসা বলেন—এটা এমন একটি জিনিস ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কও দড়ির মতো কাজ করে শক্ত করে বেঁধে ফেলে। তাই ইনিয়ে-বিনিয়ে সুযোগ পেলে তার কাজের প্রশংসা করুন। তবে প্রশংসা সব কাজে নয়, না হলে এর ফল হিতে বিপরীত হয়।

একঘেয়েমি: যেকোনো সম্পর্ককে একঘেয়েমি হতে দেবেন না। ভাবছেন একঘেয়েমি আপনার কাছে নগণ্য বিষয়, কিন্তু তার একঘেয়েমি বিরক্তিও হয়। একঘেয়েমি ছাড়ুন, সম্পর্ক অটুট রাখুন।

উপহার: উপহার কি শুধু প্রেমিক/প্রেমিকাদের জন্য? একেবারেই নয়। ছোট কিংবা বড়—উপহার পেতে কার না ভালো লাগে! আর সেই গিফট যদি সারপ্রাইজ হয়, তাহলে তো আর কথাই নেই; ভালোলাগা শতগুণে বেড়ে যায়। তাই একে অপরকে উপহার দিয়ে চমকে দিন। এটা যদি প্রেমিক বা প্রেমিকার ক্ষেত্রে হয়, তাহলে তো কোনো কথাই নাই। ভীষণ খুশি হবে দুজনই।

শ্রোতা: স্কুল-কলেজের আড্ডা কিংবা অফিসের কাজ—সব রাখবেন বাদ, যতক্ষণ কথা বলবেন সেই সময়টুকু শুধু দুজনেরই থাক। একই সঙ্গে নিজে বলবেন কম তার কথা মনোযোগসহকারে শুনবেন। সে যত না ভালো বক্তা, তার চেয়ে আপনি ভালো শ্রোতা। এমন সম্পর্কে সমস্যা হয় না অতটা।

রান্না: সবসময় বাইরের খাবার না খেয়ে সময় পেলে নিজেই বানিয়ে নিন তার পছন্দের কিছু সুস্বাদু খাবার। এতে ভয় পাবেন না, এই ভেবে যদি সুস্বাদু না হয়! রেস্টুরেন্টের মতো সুস্বাদু হয়তো হবে না, কিন্তু আপনি বানিয়েছেন—এটা জেনেই পার্টনার খুব খুশি হবেন। স্বাদ যেমনই হোক, খুবই উপভোগ করে খাবেন।

পোশাক: আমরা তো সবসময়ই নিজের পছন্দের পোশাক পরি বা নিজের পছন্দকেই প্রাধান্য দেই। এতে করে জীবনসঙ্গী পছন্দের বিষয়টিকে উপেক্ষা করা হয়। তাই পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার পছন্দকেও গুরুত্ব দিন।

প্রিয় লাইফ/আজাদ চৌধুরী