লালন। ছবি: সংগৃহীত

লালনের পথে

আমার বাড়ি নেই, ঘর-গৃহস্থালি শিকেয় উঠেছে অচেনা-অজানা পথে-ঘাটে সংসার পেতেছি,

রুবু মুন্নাফ
Assistant Manager, Supply Chain Management
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৮, ২১:২০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৮, ২১:২০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০


লালন। ছবি: সংগৃহীত

আমার বাড়ি নেই, ঘর-গৃহস্থালি শিকেয় উঠেছে

অচেনা-অজানা পথে-ঘাটে সংসার পেতেছি,

একখণ্ড গেরুয়া চাদরে আত্মীয়তার বাঁধন জড়ানো

এই বাংলার বুকে একতারা হাতে হেঁটে চলেছি।

কী নিদারুণ বৈরাগ্য ভর করেছে আমার ভেতরে

দেহের প্রতিটি শিরা-উপশিরা ভরা শূন্যতার গহ্বরে।

দৈন্য আর প্রবর্তে ভরা ভাবগান আর ধুয়ার সুরের ধারা,

ভজন সাধন চলে খমক, ঢোলক, সারিন্দা, দোতারা

কাহারবা, ঝুমুর তালে সাথে ঝাঁপতাল আর দাদরা।

শরিয়তি, মারফতি তালে নবুয়ত আর বেলায়া

আউল চাঁদ আর মাধব বিবির পথে ছেঁউড়িয়ার আখড়া

সাঁইজি জানে রাগের মানে কোথায় আরশিনগর,

আমি ভ্রমি দেশে দেশে খুঁজে ফিরি সাধন সুর।

আত্মভোলা খোঁজে কারে গুরু যে তার আপন গৃহে

বাউল জানে কোথায় বসত ভূখণ্ড যে তার দেহে।

সুর বাঁধুক সাধন সুরে মন্ত্র তার একতারা

যত দুঃখ গাঁথা মনে মনের মানুষকে না পাওয়া,

খাঁচায় বন্দী অচিন পাখি মিলনে খোঁজে দোতারা

আরও বাড়ুক ব্যাকুলতা দুঃখ ও বাড়ুক এই চাওয়া।

 

প্রিয় সাহিত্য/আজাদ চৌধুরী