(প্রিয়.কম) আট ফ্র্যাঞ্চাইজির সাতটিই আসন্ন বিপিএলের মূল একাদশে পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটার চায়। লিখিত আবেদনও করেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে। শেষপর্যন্ত না চাইতেও তাই অনুমতি দিতে হচ্ছে টুর্নামেন্ট কমিটিকে।

সোমবার কল্যাণপুরের একমি ল্যাবোরেটরিজ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

তিনি বলেন, ‘মূল একাদশে সর্বোচ্চ পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলাবার ব্যাপারে আগে থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছ থেকে একটা প্রেশার পাচ্ছিলাম। আমরা তাই লিখিত মত চেয়েছি। একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি বাদে মোটামুটি সবাই পাঁচজন করে বিদেশি মূল একাদশে খেলাবার পক্ষে মত দিয়েছে। আমরাও বিবেচনা করেছি, দল বেড়েছে। সেক্ষেত্রে আমরাও অনুমতি দিচ্ছি।’

সাধারণত ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টগুলো আয়োজিত হয় দেশের ক্রিকেটের উন্নতির জন্য। বিদেশি ক্রিকেটার, কোচ আর কোচিং স্টাফদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করার মাধ্যমে নতুন কিছু শেখা নতুন অভিজ্ঞতা পেয়ে থাকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারগুলো। জাতীয় দলের পাইপলাইন লম্বা করারও সুযোগ থাকে এ ধরণের টুর্নামেন্টগুলোতে। কিন্তু মূল একাদশে যদি পাঁচজনই বিদেশি হয়, সেক্ষেত্রে দেশি ক্রিকেটারদের জায়গাটা কমে যাবে। পারফরম্যান্স প্রমাণ করার সুযোগও থাকবে না। সারা পৃথিবীতে এই ধরণের লিগগুলোতে সর্বোচ্চ চারজন করেই বিদেশি খেলানো হয়। কিন্তু বাংলাদেশই প্রথমবারের মতো পাঁচজন ক্রিকেটার খেলানোর অনুমতি দিচ্ছে।

ব্যাপারটা ভাবনায় আছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলেরও। সে কারণেই ‘স্পেস’ রাখছে তারা। ইসমাইল হায়দার জানালেন, পাঁচজন খেলানোটা বাধ্যতামূলক নয়। চাইলে কম খেলানোর সুযোগও থাকছে।

তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটার মানে যে পাঁচজন খেলাতেই হবে, এমন না। কোন দল চাইলে কমও খেলাতে পারবে। আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সর্বনিম্ন তিনজন খেলাতেই হবে।’

বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধনের ব্যাপারে কোন সীমানাও রাখছে না বিপিএল কমিটি। তারা জানিয়েছে, যে কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি যতগুলো খুশি ততগুলো বিদেশি ক্রিকেটার নিজের দলে ভেড়াতে পারবে। তবে শর্ত হলো, প্লেয়ার অকশন থেকে অবশ্যই কমপক্ষে দুজন বিদেশি ক্রিকেটারকে নিতে হবে।  

প্রিয় স্পোর্টস/শান্ত মাহমুদ