ছবি: সংগৃহীত

৬ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ পায়নি 

সর্বোচ্চ ফল করেও চান্স না পাওয়া এসব শিক্ষার্থী ১-২টি করে কলেজে আবেদন করেছে। তারা হয়তো চান্স পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল। আমরা শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম ঠিক করেছি। সেক্ষেত্রে আবেদনকৃত কলেজের আসন সংখ্যার তুলনায় মেধাক্রম পেছনে থাকলে চান্স হয়নি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৬ জুন ২০১৭, ১৫:১৮ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০৬:৩২
প্রকাশিত: ০৬ জুন ২০১৭, ১৫:১৮ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০৬:৩২


ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দেশের বিভিন্ন স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৫ হাজার ৯৪৬ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেও কোনো কলেজ পায়নি। অপরদিকে কোনো শিক্ষার্থী পায়নি ২৮০ প্রতিষ্ঠান। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন এ তথ্য জানিয়েছেন।  

তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কোথাও না কোথাও ভর্তির সুযোগ মিলবে। কিন্তু শিক্ষার্থী না পাওয়া কলেজ ও মাদ্রাসার ভাগ্যে কী ঘটবে, তা ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। ৪ জুন রোববার মধ্যরাতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফল প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি কলেজে ভর্তির জন্য সারা দেশে ১৩ লাখ ১০ হাজার ৯৪৭ শিক্ষার্থী আবেদন করেছিল।

তাদের মধ্যে প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪৮ জনকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত করে তালিকা প্রকাশ হয়। মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা কলেজে ভর্তির সরকারি ওয়েবসাইট (http:/ww/w.xiclassadmission.gov.bd/) থেকে জানা যাচ্ছে। এ ছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস দিয়েও মনোনীত শিক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেয়া হয়েছে। ফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৬১ হাজার ৯৯ জন ভর্তির জন্য কোনো কলেজে সুপারিশ পায়নি। এদের মধ্যে ৫ হাজার ৯৪৬ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী। 

ড. আশফাকুস সালেহীন জানান, সর্বোচ্চ ফল করেও চান্স না পাওয়া এসব শিক্ষার্থী ১-২টি করে কলেজে আবেদন করেছে। তারা হয়তো চান্স পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিল। আমরা শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম ঠিক করেছি। সেক্ষেত্রে আবেদনকৃত কলেজের আসন সংখ্যার তুলনায় মেধাক্রম পেছনে থাকলে চান্স হয়নি। তবে এসব শিক্ষার্থীর ভর্তির সমস্যা হবে না। দ্বিতীয় তালিকায় কলেজ তারা পেয়ে যাবে। তবে এক্ষেত্রে তাদের নিজের প্রাপ্ত নম্বর বা মেধা অনুযায়ী কলেজ পছন্দ দিতে হবে। পাশাপাশি পছন্দক্রমে কলেজ সংখ্যাও বাড়িয়ে দিতে হবে। নইলে সমস্যা থেকেই যাবে।

সূত্র: যুগান্তর

প্রিয় সংবাদ/ইতি/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...