অনুষ্ঠানে ৭৪ চোরাকারবারি ও মাদকসেবী আত্মসমর্পণ করেন

‘মাদক না ছাড়লে পরিণতি কী ভয়াবহ হবে, তা আল্লাহই জানেন’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ, মেধা ও নতুন প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। যারা আত্মসমর্পণ করবে, সরকার থেকে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ২১:০৬ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ২১:০৭
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ২১:০৬ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ২১:০৭


অনুষ্ঠানে ৭৪ চোরাকারবারি ও মাদকসেবী আত্মসমর্পণ করেন

(প্রিয়.কম) মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আপনারা মাদক ছেড়ে দেন, আত্মসমর্পণ করেন। না হলে পুলিশ বাহিনী আপনাকে খুঁজে বের করবে। মাদক না ছাড়লে পরিণতি কী ভয়াবহ হবে, তা আল্লাহই জানেন।’

২৪ মার্চ, রবিবার বিকেলে গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানা ভবনের প্রশাসনিক কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে নাপিতেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এক সুধী সমাবেশে আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেন।

সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘দেশ, মেধা ও নতুন প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। যারা আত্মসমর্পণ করবে, সরকার থেকে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ২৪ ঘণ্টা জেগে থাকার জন্য সৈনিকদের ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ানো হতো। কিন্তু এখন ইয়াবা নেশা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যারা ইয়াবা বিক্রি করেন, তারা জানেন না যে এর ভয়াবহতা কত। একটানা তিন বছর ইয়াবা সেবন করলে মেধা থাকবে না। মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মাদক থেকে যুবশক্তিকে বাঁচাতে না পারলে আমাদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। ইসলামেও মাদকের বিরুদ্ধে বলা আছে।’

৭৪ চোরাকারবারি ও মাদকসেবীর আত্মসমর্পণ

মাদকবিরোধী সমাবেশে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকার ৭৪ জন আত্মসমর্পণ করেছে, যাদের মধ্যে তালিকাভুক্ত মাদক চোরাকারবারি ২০ জন এবং মাদকসেবী রয়েছে ৫৪ জন। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাদক ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফেরার শপথ নেওয়ায় তাদের হাতে বিশেষ পুরস্কারও তুলে দেওয়া হয়। আত্মসমর্পণকারীদের সুপথে রাখার জন্য গাইবান্ধা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মামলার বিষয়ে আইনগত সহায়তা এবং পুনর্বাসনে সহায়তা করবে পুলিশ।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি, গাইবান্ধা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন, জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। এছাড়া সমাবেশে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সুধী সমাবেশ শেষে বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল গাইবান্ধা পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের বার্ষিক সমাবেশ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...