ছবি সংগৃহীত

জনপ্রিয় হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং- বণিক বার্তা

এজেন্টের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা ও টাকার স্থিতির দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৭, ০৪:৪৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৬:৩২
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৭, ০৪:৪৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৬:৩২


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) ২০১৪ সালে বেসরকারি খাতের ব্যাংক এশিয়ার হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সাল শেষে দেশে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম রয়েছে ১০টি ব্যাংকের। এসব ব্যাংক এক হাজার ৬৪৬ জন এজেন্ট নিয়োগ দেয়ার পাশাপাশি চালু করেছে দুই হাজার ৬০১টি আউটলেট।

২৫ মার্চ শনিবার বণিক বার্তা- এ ‘জনপ্রিয় হচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সাল শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতায় অ্যাকাউন্ট চালু করেছেন, এমন গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩৬ জন। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেশে এসেছে ৩০৯ কোটি টাকার রেমিট্যান্স। এ ছাড়া ৩৮০ কোটি টাকার আমানত জমা হয়েছে অ্যাকাউন্টগুলোয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা জানান, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে এটি বেশ গতি পেয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গাইডলাইনে কিছু পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেও বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা ও জালিয়াতির পরিমাণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিপুল সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, যথাযথ নিয়ম মেনে এজেন্ট নিয়োগ না দিলে এ ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এজেন্টের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা ও টাকার স্থিতির দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।

এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া। এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করা অন্য ব্যাংকগুলো হলো- আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক। এ ছাড়া নতুন প্রজম্মের মধুমতি ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকও এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করেছে।

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যত্ খুবই উজ্জ্বল দেখছেন ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি দেশের প্রত্যেক নাগরিকের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকবে। এটি মৌলিক অধিকারের পর্যায়ে পড়ে। মানুষের আর্থিক অবস্থা উন্নত হচ্ছে। এজন্য ব্যাংকিং সেবা সবার দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে হবে।’

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...