পুলিশ হেফাজতে আকায়েদের স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়ি

আকায়েদ উল্লাহর স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
১২ ডিসেম্বর ২০১৭, সময় - ১৮:৪৯

নিউ ইয়র্কে হামলায় সন্দেহভাজন আকায়েদ উল্লাহ’র ড্রাইভিং লাইসেন্সের সংগৃহীত ছবি

(প্রিয়.কম) নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের বাসস্টান্ডে হামলায় সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আকায়েদ উল্লাহর স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর তিনটার দিকে রাজধানীর জিগাতলার মনেস্বর রোডের বাসা থেকে পুলিশ তাদের নিয়ে যায়।

আকায়েদ উল্লাহর স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জুঁই তার বাবা জুলফিকার হায়দার ও মা মাহফুজা আখতারের সঙ্গে জিগাতলায় থাকতেন। তাদের ছয় মাস বয়সী সন্তান রয়েছে।

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেছেন, ‘তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজমের মিন্টো রোডের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।’

নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে হামলার পর আহত অবস্থায় আটক ২৭ বছর বয়সী আকায়েদের কোনো অপরাধের রেকর্ড বাংলাদেশের পুলিশের কাছে নেই। তার পাসপোর্টের তথ্যের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে একথা জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক। এ ছাড়াও সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আকায়েদের পারিবারিক তথ্য প্রকাশ শুরু করেছে সংবাদমাধ্যম।

পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী আকায়েদের বাড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সন্দীপ উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়নের পন্ডিতের হাট গ্রামে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন এই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় বসবাস করেন। মুসাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু তাহের ডেইলি স্টারকে এই তথ্য জানিয়েছেন। 

আকায়েদের শ্বশুর বাড়ির ঠিকানা পাওয়ার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

এদিকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মুসাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নাদিম বলেন, ‘আকায়েদের বাবা মো: সানাউল্লাহ একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তবে তিনি বেঁচে আছেন কী না তা জানি না।’

ইউপি সদস্য আবু তাহের জানান, আকায়েদের পরিবার ৩০ বছর আগে এই এলাকা ছেড়ে চেলে যান। তারপর থেকে এখানে তাদের দেখাও যায়নি অথবা তাদের সম্পর্কে কিছু শোনাও যায়নি। 

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা বলেছেন, সন্দেীপে তাদের কিছু জায়গা-জমি আছে। তবে তা অব্যবহারযোগ্য আর দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। তার পরিবারের কোনো সদস্যের অপরাধের রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনের বাস স্টান্ডে শরীরে জড়িয়ে রাখা বোমার বিস্ফোরণে আহত হন আকায়েদ উল্লাহ নামের এক বাংলাদেশি। নিজে গুরুতর আহত হওয়া ছাড়াও অপর তিনজন এই বিস্ফোরণে সামান্য আহত হন।

প্রিয় সংবাদ/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
জনপ্রিয়