(প্রিয়.কম) মিয়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার ডাক দিয়েছে আল কায়েদা। মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর অভিযানে ইতোমধ্যে ৪ লক্ষ জনগণ দেশটি থেকে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে। এ অবর্ণনীয় নির্যাতনকে ‘অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে আল-কায়েদা। একই সঙ্গে এ জন্য মিয়ানমারকে ‘শাস্তি’র হুমকিও দেওয়া হয় জঙ্গীগোষ্টিটির পক্ষ থেকে।

জঙ্গি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন গ্রুপ সাইট ইনটেলিজেন্স-এ প্রকাশিত আল-কায়েদার একটি বিবৃতিতে হুমকির পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের প্রতি গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ ও সামরিক সমর্থন প্রদানের আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিয়ানমারে আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা বর্বর হামলার সম্মুখীন হচ্ছেন। শাস্তি ছাড়া আমরা এই বিষয়টি ছেড়ে দেবো না। মিয়ানমার সরকার আমাদের মুসলিম ভাইদের যে ধরনের পরিস্থিতিতে ফেলেছে, তাদেরও একই ধরনের পরিস্থিতি ভোগ করতে হবে।’

হুমকির প্রেক্ষিতে মিয়ানমারের শহরগুলো বোমা হামলার আশঙ্কা করছে সরকার। একই সঙ্গে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর সহিংসতার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়াকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে বলে মনে করছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সমর্থকরা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালাতে পারে’।

আল-কায়েদার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের ভাইদের আহ্বান জনাচ্ছি, আপনারা আমাদেরই মুসলিম ভাইদের সহায়তা করতে বার্মার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ুন। এজন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির পুলিশের ৩০টি তল্লাশি চৌকি ও একটি সেনাক্যাম্পে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। এর জেরে রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গাবিরোধী ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে ইতিমধ্যে প্রায় ৪ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। যা দিনকে দিন বাড়ছে। 

সূত্র: রয়টার্স

প্রিয় সংবাদ/রিমন