(প্রিয়.কম) ঘটনার সূত্রপাত ২৩ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে ঘিরে। এবার এ উৎসবে একমাত্র বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছে বাংলাদেশের আলোচিত নির্মাতা আবু সাইয়ীদের চলচ্চিত্র একজন কবির মৃত্যু বা ডেথ অব অ্যা পোয়েট। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি প্রদর্শিত হয়।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী পত্রিকা আনন্দবাজার গত ১৩ নভেম্বর সাহস জোগায় একজন কবির মৃত্যু’ ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে, যে সংবাদটির শেষাংশে তারা একটি ভিডিও জুড়ে দেন। ভিডিওটি দেখা যায় একজন কবির মৃত্যু চলচ্চিত্রটির প্রধান চরিত্র এবং জনপ্রিয় অভিনেতা ও আবৃত্তিকার জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, অভিনেত্রী আইরিন এবং নির্মাতা আবু সাইয়ীদ সিনেমাটি নিয়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন। তবে ভিডিওটিতে আইরিনের নাম ঠিকভাবে প্রচার করলেও, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় কথা বলার সময় স্ক্রিনে ভেসে এলো আবু সইদ, পরিচালক’, একইভাবে আবু সাইয়ীদ কথা বলার সময় স্ক্রিনে ভেসে উঠলো- 'জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, অভিনেতা'।

প্রথমত তারা জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ও আবু সাইয়ীদকে, অর্থাৎ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রকে ও নির্মাতাকে ভুল পরিচয়ে পরিচয় করাচ্ছেন, অন্যদিকে নির্মাতা আবু সাইয়ীদকে তারা লিখছেন আবু সইদ। তাদের সংবাদের ভেতরেও বারবার আবু সাইয়ীদকে আবু সইদই লেখা হয়েছে। একটি দেশের একজন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী এবং প্রখ্যাত নির্মাতাকে ভুল বানানে ও পরিচয়ে উপস্থাপন করা এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও আনন্দবাজার অসংখ্যবার বাংলাদেশের শিল্পীদের বিকৃত নামে উপস্থাপন করেছে। যদি এ ভুল অনিচ্ছাকৃতভাবেও হয়ে থাকে, তবুও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়কে আবু সাইয়ীদ বা আবু সাইয়ীদকে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় পরিচয়ে পরিচিত করানোর ক্ষেত্রে আনন্দবাজারের অজ্ঞতা এবং অপেশাদারিত্বই প্রকাশ পাচ্ছে।

উল্লেখ্য এর আগেও আনন্দবাজার বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নায়িকা পরীমণিকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করে সমালোচিত হয়েছিল। ২০১৬ সালে এ পত্রিকাটি নায়িকা পরীমণিকে নিয়ে প্রয়োজনে স্বল্প বসনেও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছিল, যার তীব্র নিন্দা করেন অভিনেত্রী নিজেই।

প্রিয় বিনোদন/গোরা