আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার (বামে) এবং জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম (ডানে)।

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহার-কায়সারের আপিল শুনানি ১০ অক্টোবর

কোনো ধরনের মুলতবি ছাড়াই মোহাম্মদ কায়সার এবং এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি বলে জানিয়েছেন আদালত।

আয়েশা সিদ্দিকা শিরিন
সহ-সম্পাদক
১৩ আগস্ট ২০১৭, সময় - ১১:৪১


আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার (বামে) এবং জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম (ডানে)।

(প্রিয়.কম) আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার এবং জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানির জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে আদালত।

১৩ আগস্ট রোববার এই দিন ধার্য করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ। বেঞ্চের অপর দুই বিচারক হলেন বিচারপতি মো. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

সেই সঙ্গে ২৪ আগস্টের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্তসার জমা দিতে বলা হয়েছে। কোনো ধরনের মুলতবি ছাড়াই শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আদালত। আদালত বলেছেন, এ জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হলো। আপনারা লিখিত বক্তব্য দাখিল করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে আজহারের পক্ষে জয়নুল আবেদীন এবং কায়সারের এস এম শাজাহান অ্যাডভোকেড অন রেকর্ড হিসেবে ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। প্রসিকিউশনের আনা নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পাঁচটি এবং পরিকল্পনা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে।

এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে অন্তত ১৪০০ লোককে হত্যা এবং ১৪ জনকে খুনের অপরাধে। এছাড়া এক অভিযোগে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আরেকটি অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন আজহার। 

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মো. কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। 

তাকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয় ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে, যার মধ্যে দুই নারীকে ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। এই দুই বীরাঙ্গনার মধ্যে একজন এবং তার গর্ভে জন্ম নেওয়া এক যুদ্ধশিশু এ মামলায় সাক্ষ্য দেন। এরপর দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি আপিল করেন কায়সার।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
পুলিশের ভয়ে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
মোস্তফা ইমরুল কায়েস ২০ জুলাই ২০১৮
ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের জরুরি অবতরণ
মোস্তফা ইমরুল কায়েস ২০ জুলাই ২০১৮
পিরোজপুরে জঙ্গি আটকের দাবি
মশিউর রহমান রাহাত ১৯ জুলাই ২০১৮
ট্রেন্ডিং