অস্ত্র সজ্জিত সঙ্গীদের মাঝে বসে আছেন এআরএসএ প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি। ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে: এআরএসএ

এআরএসএ ২০১২ সালে মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত হলেও এটি ধর্মভিত্তিক সংগঠন নয়। এটা প্রকৃত অর্থে জাতিগত অধিকারভিত্তিক সংগঠন।

হাসান আদিল
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৭, ১৯:৫৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩২
প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০১৭, ১৯:৫৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩২


অস্ত্র সজ্জিত সঙ্গীদের মাঝে বসে আছেন এআরএসএ প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিত্ব প্রদান এবং অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ‘দ্য আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি’ (এআরএসএ)-এর মুখপাত্র পরিচয় দেয়া আবদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তি।

২৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে ‘দ্য আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি’ (এআরএসএ)। তবে স্বপ্রণোদিত হয়ে নয় বরং আত্মরক্ষার স্বার্থে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করছেন আবদুল্লাহ।

‘ওই হামলার দু’দিন আগেই সেনাবাহিনী এআরএসএ’র ঘাঁটিতে আক্রমণে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। তাই আত্মরক্ষার্থে আগে থেকে পাল্টা হামলা ব্যতীত অন্য কোনো বিকল্প পথ ছিলো না’, বলেন তিনি। 

২৮ আগস্ট সোমবার প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে এসব দাবি করে মুখপাত্র পরিচয় দেওয়া ঐ ব্যক্তি। হামলার পরদিন ২৫ আগস্ট শুক্রবার হংকংভিত্তিক এশিয়া টাইমস আবদুল্লাহ’র বিশেষ এ সাক্ষাৎকারটি নেয়। তিনি নিজেকে এআরএসএ প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির মুখপাত্র হিসেবে দাবি করেন।

পরবর্তীতে এআরএসএ সম্পর্কে বলেন, ‘২০১২ সালে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রেক্ষিতে এর প্রতিষ্ঠা হলেও এটি ধর্মভিত্তিক সংগঠন নয়। এটা প্রকৃত অর্থে জাতিগত অধিকারভিত্তিক সংগঠন।’

সাক্ষাৎকারে আব্দুল্লাহ বলেন, ‘কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। কিন্তু তারা তা পারেনি। নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে বাড়তে একটি পূর্ণমাত্রার গণহত্যা শুরুর চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গেছি। এর হাত থেকে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদেরই। না হয় সেনাবাহিনী অচিরেই তাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলবে।‘ 

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার পুনর্বহাল করা হলেই সংকট মিটে যাবে অভিমত আবদুল্লাহর। ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে সরকারের ওপর চাপ প্রদানের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদি গেরিলা যুদ্ধ আমাদের লক্ষ্য নয়। আলোচনার টেবিলেই আমরা সংকট সমাধান করতে চাই।’ 

বর্তমানে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন ও রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের পাল্টা আঘাত রাখাইনে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

সূত্র: এশিয়া টাইমস 

প্রিয় সংবাদ/শান্ত