ছবি সংগৃহীত

অডিটরদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদোন্নতি চেয়ে করা রিট খারিজ

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ফলে পদোন্নতির জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৭, ১০:৩৫ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১২:০০
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৭, ১০:৩৫ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১২:০০


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) প্রায় পাঁচ হাজার অডিটরকে পরীক্ষা না নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদোন্নতির নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে অডিটরদের পদোন্নতির পরীক্ষা নিতে আর কোনো বাধা রইল না।

৩ মে বুধবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ফলে পদোন্নতির জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা নিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

পদোন্নতিতে বিভাগীয় পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার হাইকোর্টে এই রিটটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তনয় কুমার সাহা। রিটে অডিটর জেনারেল, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

আইনজীবী তনয় কুমার সাহা জানান, এর আগে আদালত এক রায়ে অডিটরদের পদোন্নতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায় বাস্তবায়নের জন্য তিনি এই রিট দায়ের করেন। তবে আদালত বলেছেন, পরীক্ষা ছাড়া পদোন্নতি দিতে হবে এমন কোনো কিছু রায়ে ছিল না। তাই রিটটি সরাসরি খারিজ (সামারালি রিজেক্ট) করে দেন।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) দপ্তরে কর্মরত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার অডিটরকে প্রায় চার বছর আগে তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার সুপারিশ করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সে সুপারিশ আমলে না নেওয়ায় হাইকোর্টে একটি রিট করেছিলেন অডিটররা। সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর অডিটরদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরবর্তীতে আপিল বিভাগও হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন।

রায়ের পর অডিটরদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদোন্নতি না দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পদায়নের জন্য বিভাগীয় পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে সিএজি। ফলে পদোন্নতি সংক্রান্ত বিভাগীয় পরীক্ষা বাতিল চেয়ে জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করা হয়।

উল্লেখ্য, অডিটরদের পদোন্নতি না দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে পদায়নে বিভাগীয় পরীক্ষার সময়সূচি উল্লেখ করে ১৭ এপ্রিল নোটিশ দেওয়া হয়। আগামী ৫ মে পরীক্ষার হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/খোরশেদ/শান্ত  

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...