ছবি সংগৃহীত

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে পিছিয়ে সরকারি ৪ ব্যাংক- দৈনিক সমকাল

ব্যাংকগুলো এখনও সব পর্যায়ে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০৭:২৬ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১০:৪৮
প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০৭:২৬ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১০:৪৮


ছবি সংগৃহীত

সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের লোগো। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে । পদক্ষেপগুলো এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি দেশের প্রধান চার ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি শাখা। তবে বাকি অর্ধেক শাখা 'সন্তোষজনক' মান অর্জন করতে পেরেছে। 

শুক্রবার প্রকাশিত দৈনিক সমকালের  'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে পিছিয়ে সরকারি ৪ ব্যাংক' শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি 'মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি' সম্পর্কিত ষান্মাসিক প্রতিবেদনে ব্যাংকগুলোর এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিভাগ গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংক চারটির প্রায় সাড়ে আটশ' শাখা পরিদর্শন করে এ প্রতিবেদন দিয়েছে। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান বলেন, ব্যাংকগুলো এখনও সব পর্যায়ে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ব্যাংকগুলো যাতে এজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়, সেজন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রতিটি ব্যাংকের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করা হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে ব্যাংকগুলোর সব শাখাকে অবশ্যই সন্তোষজনক মান অর্জন করতে হবে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অগ্রণী ব্যাংকের ২০৫টি শাখা পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ১০১টি শাখা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়ন করেছে। আর ১০৪টি শাখা তা করতে পারেনি। এই শাখাগুলোকে 'মোটামুটি' মান অর্জন করেছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই অবস্থা সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকেরও।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে সব অ্যাকাউন্টের গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি) নেই। এছাড়া অনেক শাখা এসটিআর (সন্দেহজনক লেনদেন) ও সিটিআরের (নগদ লেনদেন) তথ্য সময়মতো বা একেবারেই দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে কোনো লেনদেনটি এসটিআর যোগ্য তাও বোঝেন না ব্যাংক কর্মকর্তারা। ২০০৭ সালের আগে খোলা সব ব্যাংক হিসাবের গ্রাহক পরিচিতি সংগ্রহ করতে বারবার সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও এ চার ব্যাংক এখনও তা শেষ করতে পারেনি। 

এ বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস উল ইসলামর বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অন্যতম। প্রতিটি শাখায় কমপক্ষে একজন ক্যামেলকো (মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রমে বিশেষজ্ঞ) কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সব শাখা অনলাইন করা হয়েছে, যেখানে এমন সিস্টেম রাখা হয়েছে যে লেনদেন কোন ধরনের তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানা যাবে।

প্রিয় সংবাদ/ইতি/সোহেল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...