ছবি সংগৃহীত

বিমানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সিডিউল লণ্ডভণ্ড – দৈনিক যুগান্তর

গত ৬ দিন ধরে লন্ডনসহ সব আন্তর্জাতিক স্টেশনের ফ্লাইট গড়ে ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক স্টেশন থেকেও দেরিতে ফ্লাইট দেশে ফিরছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০১৭, ২১:০৩ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:৪৮


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি 

(প্রিয়.কম) লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে বিমানের আন্তর্জাতিক রুটের সব ফ্লাইট সিডিউল। গত ৬ দিন ধরে লন্ডনসহ সব আন্তর্জাতিক স্টেশনের ফ্লাইট গড়ে ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক স্টেশন থেকেও দেরিতে ফ্লাইট দেশে ফিরছে। বুধবারের বেশিরভাগ ফ্লাইট ছেড়ে গেছে বৃহস্পতিবার।

৩ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে ‘বিমানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সিডিউল লণ্ডভণ্ড’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।   

প্রতিবেদনে বলা হয়, খোদ বিমান পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যানের আবুধাবিগামী ফ্লাইটটিও বৃহস্পতিবার ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকা ছেড়েছে। এ অবস্থায় যাত্রী ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ফ্লাইট বিলম্ব হওয়ায় বিমানের উত্তরার আবাসিক হোটেলগুলোর কোনো রুমই খালি নেই। খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে বিমানবন্দরের হোটেলগুলোতে। বৃহস্পতিবার একটি ফ্লাইটের সিডিউল চারবার পরিবর্তন করা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ যাত্রীরা একপর্যায়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিছিল করেছেন। তারা বিমানের বুকিং কাউন্টার ভাংচুর ও লিফলেট ছিঁড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এর আগেও মঙ্গলবার একটি ফ্লাইট পাঁচবার পরিবর্তন করে পরে বাতিল করা হয়।

বিমানের ফ্লাইট অপারেশন শাখা বলছে, উড়োজাহাজ সংকটের কারণে গত ৬ দিন ধরে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সিডিউলের এই লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ১০টি উড়োজাহাজের ৪টিই বিকল। ইঞ্জিনে পাখি ঢুকে দাম্মাম বিমানবন্দরে ৬ দিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে ৪১৯ আসনের ব্র্যান্ড নিউ এয়ারক্রাফট বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর। মিসর থেকে ভাড়ায় আনা দুটি উড়োজাহাজের একটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ এয়ারক্রাফট গত এক মাস ধরে শাহজালালে বিকল হয়ে পড়ে আছে। অপরটিও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। মাসে ১৫ দিনের বেশি ওই উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাচ্ছে না। একইভাবে নষ্ট হয়ে আছে একটি নতুন বোয়িং ৭৩৭ এয়ারক্রাফট। যার কারণে ফ্লাইট সিডিউল ঠিক রাখা যাচ্ছে না।

এদিকে, বিমানের পরিকল্পনা শাখার একজন কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে বলেন, একটি নতুন বোয়িং ৭৭৭ ও একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ বিকলের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। আট মাসের জন্য ২২০ থেকে ৩০০ আসনের একটি উড়োজাহাজ ভাড়া করার (ক্রু, রক্ষণাবেক্ষণ, বিমানসহ) জন্য এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এএম মোসাদ্দিক আহমেদ বলেন, ফ্লাইট সিডিউল লণ্ডভণ্ডের সঙ্গে উড়োজাহাজ ভাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। জ্বালানি খরচ ও আসনপ্রতি খরচ হিসাব করে উড়োজাহাজ ভাড়া করার বিষয়ে মূল্যায়ন কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

ফ্লাইট সিডিউল কতদিনের মধ্যে ঠিক হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিগগরি ঠিক হয়ে যাবে।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত   

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
বিএনপির গুলশান অফিসে ‘ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন’
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ১৯ নভেম্বর ২০১৮
দেশে স্কাইপি বন্ধ
প্রিয় ডেস্ক ১৯ নভেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট