(প্রিয়.কম) ব্লকচেইন প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ কল্পনা করা অনেকটা গুগল এবং ফেসবুকের প্রকাশের প্রথম দিনের কল্পনার মতো। ফিডেলিটি ল্যাবের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যাডলি স্টার্ন একথা বলেন। ফিডেলিটি ল্যাবস এর বিটকয়েন, ব্লকচেইন এবং ডিজিটাল মুদ্রা ইনকিউবেটর চালানোর জন্য দায়িত্বে রয়েছেন স্টার্ন। তার গবেষণা দল বিটকয়েন নিয়ে পরীক্ষা করছেন আর একারণে তিনি বলছেন এটি 'ডিজিটাল গোল্ড' এর মতো এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তি বিশ্বকে বদলে দেবে।

বুধবার কর্পোরেশনটি ঘোষণা দিয়েছে তারা গ্রাহককে ওয়েবসাইটে বিটকয়েন এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি দেখার সুযোগ দিবে। এবং এটিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি করে তুলবে যাতে করে ক্রিপ্টোকারেন্সি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।  

সিএনবিসি কে স্টার্ন বলেন, ব্লকচেইনের সবচেয়ে বড় বিষয় হল আপনি কেবলমাত্র সফটওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে মূল্য স্থানান্তর করতে পারেন। এটি একটি বিশাল সামাজিক বিপ্লব”। তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, বিটকয়েন বা অন্য যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি নতুন পণ্য তৈরিকে আরও সস্তা এবং দ্রুত করবে এবং আমরা কল্পনা করতে পারিনা এমন নতুন পণ্য এবং সেবা তৈরি করবে”।

যদিও কিছু সমালোচক বিটকয়েন কিভাবে ব্যবহার করা হয় তা নিয়ে সন্দেহভাজন। এর প্রেক্ষিতে স্টার্ন জানান,  ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ করা হলে তা হবে ওয়েব বা ওপেন ইন্টারনেট প্রোটোকল নিষিদ্ধের মতো। সরকার এই ক্রিপ্টোকারেন্সি পছন্দ করুক আর নাই করুক এটি থাকবে বলেও বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, “আমরা বিটকয়েনের উপর কোন রায় জোরদার করছি না। এটি গ্রাহকদের তাদের অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি বিটকয়েন ব্যালেন্স দেখার একটি উপায় মাত্র”।

প্রসঙ্গত গত ৯ আগস্ট রেকর্ড পরিমাণ মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বিটকয়েনের। কয়েনডেস্ক বিটকয়েন প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, এই ভার্চুয়াল কারেন্সির এক বিটকয়েনের মূল্য ৩ হাজার ৪৫১ ডলারে পৌঁছায়। 

সূত্র: সিএনবিসি