‘খালেদা জিয়ার হাত-পা ও কোমরের ব্যথা বেড়েছে’

সরকারি মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা অর্থপেডিক বেড দেওয়ার সুপারিশ করলেও এখনো তাকে সেই বেড দেওয়া হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে তার এমআরআইসহ উন্নত চিকিৎসার দরকার।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ এপ্রিল ২০১৮, সময় - ১৪:৩৮

কারাগারে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 

১৬ এপ্রিল, সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এই দাবি করেন। 

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে, তার হাত-পা ও কোমরের ব্যথা আরও বেড়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাঁটু ও পায়ের সমস্যায় ভুগছেন। আপনারা জানেন–নির্জন, পরিত্যক্ত ও স্যাঁতসেতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাকে রাখা হয়েছে। তাকে দেওয়া বিছানা বালিশ অর্থপেডিকের একজন রোগীর জন্য অনুপযোগী। সরকারি মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা অর্থপেডিক বেড দেওয়ার সুপারিশ করলেও এখনো তাকে সেই বেড দেওয়া হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে তার এমআরআইসহ উন্নত চিকিৎসার দরকার।

বারবার বলার পরেও কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে উপেক্ষা করছে। ক্ষমতাসীনদের দাপটে কারা কর্তৃপক্ষ তাদের মুঠোবন্দী। ফ্যাসিবাদের রোগ-লক্ষ্মণ কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সরকার দেশনেত্রীকে এক অবনতিশীল স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে রাখার জন্যই কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে। বিষয়টি গভীর উদ্বেগের ও বন্দী নির্যাতনের শামিল।’

রুহুল কবির অভিযোগ করে বলেন, ‘আগে পরিবারের সদস্যদেরকে ৭ দিন পরপর বেগম জিয়ার সাথে দেখা করতে দেওয়া হলেও এখন ১০ দিন পর দেখা করার নির্দেশ হতে যাচ্ছে, এর উদ্দেশ্যই হচ্ছে বেগম জিয়াকে মানসিকভাবে যন্ত্রণা দেওয়া। সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, দেশের একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ও দেশের কোটি কোটি মানুষের আশা ও ভরসার স্থল, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক এবং বারবার দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের নেত্রীর সুচিকিৎসা নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষের টালবাহানা অত্যন্ত রহস্যজনক। সরকারের নির্দেশেই কারাকর্তৃপক্ষ বেগম জিয়ার প্রতি করছে নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ।’

প্রিয় সংবাদ/রিমন

জনপ্রিয়
আরো পড়ুন