ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর যোগদান করেছেন ৩৭৯ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স। চাকরির বয়স এরই মধ্যে তিন মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো বেতন পাননি দ্বিতীয় শ্রেণি পদমর্যাদার এসব কর্মকর্তা। কখন বেতন মিলবে তাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় কর্মরত নার্সদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

২১ মার্চ মঙ্গলবার ‘ঘুষ না দেওয়ায় ৩৭৯ নার্সের বেতন বন্ধ’ শীর্ষক শিরোনামে দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ না দেওয়ায় নতুন নিয়োগ পাওয়া এসব নার্সের বেতন আটকে আছে। আর সেই ঘুষের টাকা জোগাতে বেতন না পেয়ে নানামুখী সমস্যায় থাকা নার্সদের কাছ থেকে গণহারে চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। জনপ্রতি ৭০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও হাসপাতালের হিসাব বিভাগকে ম্যানেজ করার নামে হাসপাতালে ডিপ্লোমা নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন নেতার তত্ত্বাবধানে এই চাঁদা আদায় চলছে।

অন্যদিকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে যাঁরা বদলি হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ছাড়পত্র নিতে ঘুষ দিতে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতি ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

চাঁদা উত্তোলনকারীদের একজন (নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত) নাম প্রকাশ না করে বলেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সবাই যাতে বেতন পান সে জন্য একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। প্রত্যেকের ৭০০ টাকা চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। সেই হিসাবে দুই লাখ ৬৫ হাজার ৩০০ টাকা উত্তোলন করা হবে। এরই মধ্যে প্রায় দুই শ জন টাকা দিয়েছেন। অন্যরাও এই সপ্তাহের মধ্যে টাকা দেবেন।

চমেক হাসপাতালের উপপরিচালক মোহাম্মদ দিদার উল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম বেতন হতে একটু সময় লাগছে, প্রসেসিং চলছে। চাঁদা উত্তোলনের বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। এ ব্যাপারে নার্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে পারেন। এ নিয়ে কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

জানতে চাইলে ডিপ্লোমা নার্সিং অ্যাসোসিয়েশন চমেক হাসপাতাল শাখার সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি দে বলেন, ‘বেতনের জন্য জনপ্রতি ৭০০ টাকা করে তাঁরা (নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স) তুলছেন। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। 

প্রিয় সংবাদ/রুবেল/খোরশেদ