ছবি সংগৃহীত

বনের পাশে অবৈধ ইটভাটা - দৈনিক যুগান্তর

কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষের পেশা কৃষি। এলাকাটির তিনদিকে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি রাবার বাগান। এখানে কৃষি জমির পরিমাণও কম।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০১৭, ০৯:০৪ আপডেট: ০১ আগস্ট ২০১৮, ০২:৫৫
প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০১৭, ০৯:০৪ আপডেট: ০১ আগস্ট ২০১৮, ০২:৫৫


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) কক্সবাজারের রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে খাদ্য শস্য উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে পরিচিত কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা গ্রাম। কয়েক বছরে এ গ্রামে স্থাপিত হয়েছে পাঁচটি ইটভাটা। নতুন করে আরও কয়েকটি ইটভাটা স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি জানার পর থেকেই ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

৪ মার্চ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘বনের পাশে অবৈধ ইটভাটা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষের পেশা কৃষি। এলাকাটির তিনদিকে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি রাবার বাগান। এখানে কৃষি জমির পরিমাণও কম। ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করতে গিয়ে এলাকার দুই ফসলি জমি অনেকাংশ এখন জলাধারে রূপ নিচ্ছে। কৃষি জমি হ্রাস, সংরক্ষিত ও সামাজিক বনায়ন ধ্বংসের কারণে এখানকার পরিবেশ ক্রমেই ভারসাম্য হারাচ্ছে।

কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে ইটভাটার মধ্যে রয়েছে রিফাত জাহানের এবিএম ব্রিকস, রফিকুল আলম ইসলামের আরআইসি ব্রিক এবং নুরুল আজিম ও ওসমান গনির টু স্টার ব্রিক। এ ইউনিয়নে নতুন করে আর কোনো ইটভাটা গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য সম্প্রতি পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে স্থানীয়রা।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/শান্ত