(প্রিয়.কম) শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ কেন্দ্রে মৌমাছির কয়েকটি দল একটি শতবর্ষী বটবৃক্ষে প্রায় ৭০টি মৌচাক তৈরি করেছে। একসঙ্গে এতগুলো মৌচাক দেখে অবকাশ কেন্দ্রে বেড়াতে আসা দর্শনীর্থীরা মুগ্ধ হচ্ছেন।

জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেরপুর জেলা সদর থেকে ২৮ এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা সদর থেকে আট কিলোমিটার উত্তরে কাংশা ইউনিয়নের গজনি পাহাড়ের প্রায় ৯০ একর পাহাড়ি টিলায় ‘গজনি অবকাশ কেন্দ্র’ নামে একটি বনভোজন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। শীত-গ্রীষ্মকালসহ বছরের বিভিন্ন সময়ে এ অবকাশ কেন্দ্রে দেশের প্রায় সব জেলা-উপজেলা থেকেই ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমায়।

শত বছরের বটবৃক্ষে কয়েক মাস ধরে মৌমাছির দল ৭০টি চাক তৈরি করেছে। ছবি: সংগৃহীত

গজনী অবকাশ বনভোজন কেন্দ্রে রয়েছে ড্রাগন, ঝুলন্ত ব্রিজ, ময়ুরপঙ্খী নাও, পাহাড়, টিলা, পদ্মসিঁড়ি, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্থম্ভ, শিশুপার্ক, মিনি চিড়িয়াখানা, মৎস্যকুমারী, বটসহ আরও নানা প্রজাতির গাছপালা। সেখানে থাকা শত বছরের পুরনো একটি বটবৃক্ষে কয়েক মাস ধরে একটি দুইটি করে মৌমাছি চাক তৈরি করে। তবে অবকাশ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ ও দর্শনার্থীরা মৌমাছির চাকে কোন প্রকার বিরক্ত না করায়, আস্তে আস্তে মৌমাছিরা চাক বাড়াতে থাকে। বর্তমানে তা ৭০ এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে ঘুরতে আসা পর্যটক মিজান উদ্দিন বলেন, অবকাশ কেন্দ্রে বট গাছের নিচে বসেছিলাম। কিন্তু খেয়াল করিনি বট গাছে এতোগুলো মৌমাছির চাক। হঠাৎ উপরে চেয়ে দেখি অনেকগুলো মৌচাক। সত্যিই এতোগুলো মৌচাক দেখে অবাক হয়েছি।

এ বিষয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ওই বটগাছে দিনে দিনে মৌচাকের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। দর্শনার্থীরা তা দেখে আনন্দ উপভোগের পর নিরাপদ দুরত্বে থেকে যাতে ছবিও তুলতে পারে সে জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল