৩৫০ তম নাটক নির্মাণের সাফল্যে তারকাদের নিয়ে কেক কাটছেন চয়নিকা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত।

সাড়ে তিনশ নাটক নির্মাণের রেকর্ড করলেন চয়নিকা চৌধুরী

৩৫০ টি নাটক নির্মাণ! চারটিখানি কথা নয় কিন্তু। রীতিমতো রেকর্ড বলা চলে। তাও আবার খুবই সল্প সময়ে, মাত্র ১৬ টি বছরের ব্যবধানে।

শিবলী আহমেদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:০৫ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:০০
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:০৫ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:০০


৩৫০ তম নাটক নির্মাণের সাফল্যে তারকাদের নিয়ে কেক কাটছেন চয়নিকা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত।

(প্রিয়.কম) ৩৫০টি নাটক নির্মাণ! চারটিখানি কথা নয় কিন্তু। রীতিমতো রেকর্ড বলা চলে। তাও আবার খুবই সল্প সময়ে, মাত্র ১৬টি বছরের ব্যবধানে। তিনি এমনই একজন নাট্য নির্মাতা, যার নাটক দেখলেই বোঝা যায় এর নেপথ্যে কে ছিলেন। প্রেম প্রধান নাটক হলেও, তার নির্মিত নাটকে উঠে আসে জীবনের বাস্তবতা। আর তাই-জীবন যেমন প্রবেশ করে নাটকে ঠিক তেমনি নাটক প্রবেশ করে মানুষের জীবনে। নাট্য শৈলীতে এই নিপুণ লীলার কারিগর কেবল একজনই। বলছি চয়নিকা চৌধুরীর কথা। আজ থেকে ১৬ বছর আগে, এক জীবন নাটকের মধ্যে দিয়ে নাট্য জীবনের ইনিংস শুরু করে ছিলেন তিনি। এরপর অর্ধশত, শত, দুইশত, তিনশত পার হয়ে একবারে ৩৫০ তম ছুঁয়ে ফেললেন চয়নিকা। আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাংলাদেশের প্রবীণ ও নবীন নাট্য ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে কেক কেটেছেন তিনি।

অভিনয় শিল্পীদের সঙ্গে চয়নিকা। ছবি: সংগৃহীত।

এই মাইল ফলক ছুঁতে পারা যে কতটা আনন্দের, এর মধ্যে যে কতটা সার্থকতা নিহিত রয়েছে, সেই ব্যাখ্যা কেবল তিনিই দিতে পারেন, যিনি এই ৩৫০ টি নাটক নির্মাণের মহাযজ্ঞ সফলভাবে পূর্ণ করতে পেরেছেন। এই কৃতিত্ব বাংলাদেশে একজনেরই। দুজনের নয়। আর তাই এ মুহূর্তে ঠিক কেমন অনুভূতি হচ্ছে সেটা জানতে প্রিয়.কম যোগাযোগ করে চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে।

বেশ প্রফুল্ল কণ্ঠেই বললেন, আমি কিছুটা নার্ভাস ফিল করছি। মানে একজন ব্যাটসম্যান যখন ৯০ এর ঘর পার হয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগোতে থাকে, ঠিক তখন ঐ ব্যাটসম্যান যতটা নার্ভাস থাকে, আমি সেরকম নার্ভাস এ মুহূর্তে

জীবনে এমন সফলতা পাওয়ার পর নিজের অতীতের কথা ভোলেননি চয়নিকা। আর তাই, তার কণ্ঠ থেকে কৃতজ্ঞতা ঝরে পড়ছিল বিগত ১৬ বছরে তার দিকে যারা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন- তাদের প্রতি। বিনম্র ও সশ্রদ্ধ ভাষায় কৃতিত্বের ভাগ দিলেন লাইট অ্যান্ড স্যাডোর মুজিবুর রহমান ছাড়াও জায়েদান রাব্বীকে। চয়নিকার ভাষায়-কাজ করার প্ল্যাটফর্ম না পেলে তো কাজ করা যায় না। পথ চলার শুরুর দিকে তাঁকে দিশা দেখিয়েছিলেন তারা দুজনেই। প্রারম্ভের সারথি ছিলেন মুজিবুর রহমান ও জায়েদান রাব্বীই।

একই সেলফিতে শহিদ্দুজ্জামান সেলিম, চয়নিকা ও শমী কায়সার। ছবি: সংগৃহীত।

প্রশ্ন ছিল চলার পথে প্রতিবন্ধকতা কিংবা বাঁধাদানকারীদের প্রসঙ্গে। চয়নিকার হাস্যোজ্জ্বল উত্তর, যারা আমাকে অপমান করেছে, যাদের গঞ্জনা আমাকে সইতে হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তাদের ওসব অবজ্ঞা- অপমানই ছিল আমার এগিয়ে যাওয়ার অদৃশ্য চালিকা শক্তি ‘

ধন্যবাদ জানিয়েছেন টিভি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সহ সকল সাংবাদিকদেরও। কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেছেন ফরিদুর রেজা সাগর, নওয়াজীশ আলী খান, শামীম শাহেদ, আরিফ রহমানসহ আরও অসংখ্য ব্যক্তিদের, যারা তার এই পথ চলার সঙ্গী ছিলেন।

চয়নিকা চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত।

তার ৩৫০ তম নাটকের নাম কী ছিল সেই খামে? এর রচনা ও নির্বাহী প্রযোজনায় রয়েছেন ফারিয়া হোসেন। এ নাটকে অভিনয় করেছেন- শহীদুজ্জামান সেলিম, আনিসুর রহমান মিলন, নাজিরা মৌ, নাবিলা ইসলাম, আজম খানসহ আরও অনেকে।

প্রিয় বিনোদন/গোরা 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...