(প্রিয়.কম) সাভারের আশুলিয়ায় তানিম হত্যা মামলায় গ্রেফতার সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত আরও দুই জন রিমান্ডে রয়েছে।

২৩ সেপ্টম্বর শনিবার ঢাকা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তানিমের বন্ধু আসামি সোহেল এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

আশুলিয়া থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাদেরকে অপহরণ মামলায় আদালতে পাঠানো হয়। এসময় সাভারে হত্যা মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। পরে সোহেল বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। এর আগে তানিম অপহরণের রহস্য উৎঘাটন করতে ঘিয়ে চারজনকে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। পরে তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা জানায় সোহেল। বাকি দুই জন রিমান্ডে ও একজন জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহত তানিম আশুলিয়ার কলমা এলাকার ইসাফ্রিল রাব্বীর ছেলে। সে মিরপুর ১৪ নাম্বার আল হেলালের বাসায় থেকে এক গার্মেন্টেস পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করত। গ্রেফতারকতৃরা হলো- আশুলিয়ার আউকপাড়া এলাকার হানিফ মিয়ার ছেলে সোহেল (২৭) ও রুবেল হোসেন শামীম, নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার দক্ষিণ সাদাচর গ্রামের নবীউল্লা গাজীর ছেলে ইয়ামিন গাজী ও অপর জন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার পূর্ব গেমার পাড়া গ্রামের মোঃ ফরহাদ।

উল্লেখ্য গত ২২ জুলাই পাওনা টাকার জন্য সোহেলকে তামিম ফোন দেয়। পরে বিকেলে সোহেল তাকে টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য বললে তানিম বাসা থেকে বের হয়ে দোসাইদ সোহেলের বাসায় যায়। তারপর থেকে তানিম নিখোঁজ থাকে। পরে পুলিশ তানিমের বন্ধু সোহেলকেসহ চারজনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গত ২৪ জুলাই হত্যার পর মৃতদেহটি খাগানের একটি জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

গত ২৫ জুলাই তানিম কে জবাই করে হত্যার পর খাগান জঙ্গলে ফেলে রেখে যায়। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। পরে পরিচয় না পাওয়ায় দাফনের ব্যবস্থা করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। 

প্রিয় সংবাদ/কামরুল