নির্বাচন কমিশন ভবন। ছবি: প্রিয়.কম

নির্বাচনের ফলাফলে প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসির

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহে  নির্বাচন কমিশন (ইসি) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।

ফারজানা মাহাবুবা
সহ-সম্পাদক
১৬ এপ্রিল ২০১৮, সময় - ১৩:৩৫


নির্বাচন কমিশন ভবন। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে কমিশন বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহ করেছিল একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ায়। কেননা প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে এসে ফলাফল জমা দিতে হতো। এসব জটিলতা শেষে কেন্দ্রীয় ফলাফল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সফটওয়্যারে দেওয়া হতো এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফলাফল ঘোষণা করতেন।

তাই একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহে  নির্বাচন কমিশন (ইসি) তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।

সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে ইউএনবির খবরে বলা হয়, অনলাইন মাধ্যমে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সরাসরি নির্বাচনের ফলাফল সংগ্রহের জন্য কমিশন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ট্যাবলেট (ট্যাবলয়েড কম্পিউটার) প্রদান এবং বিদ্যমান নির্বাচনী ফলাফলের সফটওয়্যার হালনাগাদ করার পরিকল্পনা করছে।

পরিকল্পনাটি শেষপর্যন্ত বাস্তবায়িত করা গেলে দেশের মোট তিনশ’ আসনের মধ্যে অধিকাংশের বেসরকারি ফলাফল দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই ঘোষণা করা যাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। 

নির্বাচন কমিশনের ‘জাতীয় পরিচয়পত্রে ভোটার তালিকা ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক কমিটি সম্প্রতি এক বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা উপস্থাপন করে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের এক বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।

নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ইউএনবিকে বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে ট্যাবলেট ব্যবহার করে নির্বাচনী ফলাফলের পরিসংখ্যান এবং সফটওয়্যারে সমস্ত ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের সই করা ফলাফল শিটের একটি স্ক্যান করা কপি সংযুক্ত করতে হবে। সফটওয়্যারের পরিসংখ্যান এবং স্ক্যান করা কপি উভয়ই ইলেকট্রনিকভাবে মিলে গেলে কমিশন ফলাফল গ্রহণ করবে।’

শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ‘দেশের প্রায় ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের জন্য মোট ৪২ হাজার ট্যাবলেট প্রয়োজন হবে।’

কমিটি তাদের বিদ্যমান সফটওয়্যারটি আপডেট করা অপরিহার্য বলে প্রস্তাব দেয়। পাশাপাশি কিছু এলাকা নির্ধারণ করে যেখানে নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং ফলাফল সংগ্রহ প্রক্রিয়াতে গতি আনতে প্রযুক্তির ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন—অনলাইনে মনোনয়ন জমা, নির্বাচন কর্মকর্তাদের ব্যবস্থাপনা, নির্বাচন পর্যবেক্ষক ব্যবস্থাপনা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ঝুঁকির বিশ্লেষণ, ভোট কেন্দ্রের স্থান ও ফলাফলের জন্য জিআইএস আবেদন প্রভৃতি।

দেশের সব এলাকায় হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ক্রয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আনুমানিক ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানায় কমিটি।

প্রিয় সংবাদ/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
‘কেন শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হলো’
ইতি আফরোজ ১৬ জুলাই ২০১৮
মোবাইল ‘চুরি’র ঘটনায় নাকে খত, জরিমানা আড়াই লাখ টাকা
আয়েশা সিদ্দিকা শিরিন ১৬ জুলাই ২০১৮
ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে: মিনু
ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে: মিনু
বাংলা ট্রিবিউন - ৫ দিন, ১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রেন্ডিং