(প্রিয়.কম) ভাগ্য পরীক্ষা করতে ভারতের ঝাড়খন্ড থেকে মুম্বাই এসেছিলেন বসন্ত প্রজাপতি। প্রতিযোগী হিসেবে নাম লেখান ইন্ডিয়ান আইডল প্রতিযোগিতায়। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে টেনে নিয়ে গেল ফারাহ খানের রান্নাঘরে। যে ব্যক্তি একসময় স্বপ্ন দেখতেন গায়ক হওয়ার, তিনি এখন মুম্বাইয়ে বিখ্যাত পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার ফারাহ খানের বাবুর্চি হয়ে জীবনযাপন করছেন।

২০০৫ সালের ঘটনা। গায়ক হিসেবে নাম কামানোর জন্য রিয়েলিটি শো ইন্ডিয়ান আইডলে নাম লেখান তিনি। সেই শো-তে বিচারকের আসনে ছিলেন ফারাহ খান। বসন্তের গান মনঃপুত হয়নি বিচারকদের। তবে তার রান্না বেশ পছন্দ হয়ে গেল ফারাহ খানের। ইন্ডিয়ান আইডল থেকে বের হয়ে বসন্ত সোজা ঢুকে গেলেন তার রান্নাঘরে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত ফারাহ খানের বাবুর্চি হয়ে নিজের সংসার চালাচ্ছেন বসন্ত।   

নিজের এই কাজে অবশ্য অখুশি নন তিনি। সংসার চালানোর জন্য কাজ করতে হতোই। গায়ক না হয়ে বাবুর্চির কাজ করলেও ভালোমতো সংসার চালাতে পারছেন, এই মনে করে আনন্দিত তিনি। তবে তার মনে এখনও সফল গায়ক হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। তার জন্য আজও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঝাড়খন্ডের যুবক। কাজের ফাঁকে যেটুকু সময় পান গান গেয়ে কাটান। 

ভারতের এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বসন্ত জানান, ‘হিমেশ রেশমিয়ার ভক্ত তিনি। প্রথমে তার মতোই গাইতেন। কিন্তু পরে লোকজন এ কারণে তার সমালোচনা করতে শুরু করেন। নিজের গানের স্টাইল পালটে দেন বসন্ত।কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণের গানও ভীষণ পছন্দের তার। সেই সঙ্গে ফারাহ খানের গুণ গাইলেন বসন্ত। জানালেন, তিনি ফারাহ খানের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি তাকে মুম্বাইয়ের মতো শহরে রোজগারের বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। থাকার জায়গা দিয়েছেন, যেখানে নিজের সময় মতো গান গাইতে পারেন বসন্ত। তার গানের জন্য অসুবিধা হলেও কোনদিন অভিযোগ জানাননি ফারাহ, জানালেন বসন্ত।

সূত্র: মিড ডে

প্রিয় বিনোদন/গোরা