আইসিইউতে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী

গত রোববার রাতে পায়ের গোড়ালিতে একটি অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালটির চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। হাসপাতালে অর্থোপেডিকস বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক নকুল দত্তের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে তার।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, সময় - ০১:৩১

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) মুক্তিযোদ্ধা-ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর শারীরিক অবস্থার ‘অবনতি’ হওয়ায় তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিউতে) নেওয়া হয়েছে৷

বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর ছেলে কারু তিতাস ১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, সোমবার এক অস্ত্রোপচারের পর তার একটি হার্ট অ্যাটাক হয়, পরে দেখা দেয় ইউরিন ইনফেকশন। শারীরিক অবস্থার এমন অবনতির পর তাকে পরে সিসিইউ থেকে আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরিবারকে জানাবেন।

গত রোববার রাতে পায়ের গোড়ালিতে একটি অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালটির চিকিৎসকদের ৭২ ঘন্টার পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। হাসপাতালে অর্থোপেডিকস বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক নকুল দত্তের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে তার। 

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন বলেও জানান কারু তিতাস।

এর আগে চলতি বছর নভেম্বর মাসে নিজের বাসায় বাথরুমে পড়ে গোড়ালিতে চোট পান ৭০ বছর বয়সী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। পরে ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি হলে চিকিৎসকরা তাকে জানান, গোড়ালির একটি হাড় স্থানচ্যুত হয়েছে। এই মুক্তিযোদ্ধা, ভাস্কর দীর্ঘদিন থেকে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তার রক্তে পটাসিয়াম ও হিমোগ্লোবিন একেবারেই কম বলে জানিয়েছেন ল্যাব এইডের চিকিৎসকরা।

১৯৪৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি খুলনায় জন্ম ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর। ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযোদ্ধা খেতাব দেয়। এর আগে ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পদক পান। ২০১৪ সালে একুশের বইমেলায় তার আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ‘নিন্দিত নন্দন’ প্রকাশিত হয়।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত  

জনপ্রিয়
আরো পড়ুন