ছবি সংগৃহীত

অসম্পূর্ণ রেখেই সমাপ্ত - দৈনিক যুগান্তর

থানা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে স্ন্যাকস ও স্যুভেনির শপ, বিদ্যমান পুরনো ভবন, জিমখানা, গ্যালারি সংস্কার ও সংরক্ষণসহ এ প্যাকেজের কোনো কাজই করা সম্ভব হয়নি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৭, ০৫:১৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৯:১৬
প্রকাশিত: ১৪ মার্চ ২০১৭, ০৫:১৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৯:১৬


ছবি সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত 

(প্রিয়.কম) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ প্রকল্পটির কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, শাহবাগ মোড় হতে স্বাধীনতা স্তম্ভ পরিষ্কারভাবে দেখার জন্য শাহবাগ থানা অপসারণ করা প্রয়োজন। এতে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্পটির নির্মাণ কাজে গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতা স্তম্ভের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যথাযথ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে

মঙ্গলবার ১৪ মার্চ দৈনিক যুগান্তরের   'অসম্পূর্ণ রেখেই সমাপ্ত' শিরোনামের একটি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

আইএমইডির প্রতিবেদনের বরাতে পত্রিকাটি জানায়, বেশ কিছু প্যাকেজের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই প্রকল্পটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, শাহবাগে পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও শাহবাগ থানা অপসারণ। বহু চেষ্টা করে দ্বিতীয় পর্যায়ে এ প্রকল্পটির শেষ সময়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ব্যারাক অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু থানা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে স্ন্যাকস ও স্যুভেনির শপ, বিদ্যমান পুরনো ভবন, জিমখানা, গ্যালারি সংস্কার ও সংরক্ষণসহ এ প্যাকেজের কোনো কাজই করা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্পটি পরিদর্শনকারী আইএমইডির সহকারী পরিচালক মৌসুমি খানম টেলিফোনে পত্রিকাটিকে বলেন, ওই সময়ে তথ্য-উপাত্ত এবং প্রকল্পের সব কাগজপত্র দেখে এবং সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। সুতরাং প্রতিবেদনে যা লেখা হয়েছে সব ঠিক আছে।

প্রতিবেদন সূত্রে, প্রকল্পটির নির্মাণ কাজে ত্রুটি রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা ১ ফুট ৯ ইঞ্চি গভীরতা বিশিষ্ট বিশাল আয়তনের জলাধারের তলদেশে প্রায় ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত সিলেট পাথর দিয়ে ফিনিশিং করা হয়েছে। পরিদর্শনের সময় পানিতে প্রচুর শ্যাওলা জন্ম হতে দেখা যায়। এতে প্রতীয়মান হয়েছে, পানি পরিষ্কারের কোনো ব্যবস্থা নেই। বিশাল প্রকল্প এলাকায় উন্মুক্ত মঞ্চ, ভিআইপি ব্লক ও সার্ভিস ব্লক ছাড়া জনসাধারণের জন্য আলাদা গণশৌচাগার নেই। 

এ ছাড়া কোনো ফুডকোর্টের ব্যবস্থা নেই। প্রকল্পের আওতায় ১৫৬ আসনের অডিও ভিজ্যুয়াল অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হলেও সেটি পরিদর্শনের সময় পর্যন্ত ব্যবহার হয়নি। ফলে উন্নত মানের যে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবস্থা করা হয়েছে তা অব্যবহৃত থাকায় নষ্ট হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

 প্রিয় সংবাদ/ইতি/শান্ত    

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...