আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে আরও পাঁচ মামলা

আপন জুয়েলার্সের মালিক তিন ভাই দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে আসামি করে এসব মামলা করা হয়েছে।

জানিবুল হক হিরা
সহ-সম্পাদক
১২ আগস্ট ২০১৭, সময় - ২২:৫৭

কান্টম গোয়েন্দারা আপস জুয়েলার্সের শোরুমে। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণালঙ্কার ও হীরা আটকের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

১২ আগস্ট শনিবার গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় মামলাগুলো দায়ের করা হয় বলে অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আপন জুয়েলার্সের মালিক তিন ভাই দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদকে আসামি করে এসব মামলা করা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, আজ গুলশান থানায় দুটি এবং ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় একটি করে পাঁচটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দার পাঁচজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাধন, বিজয় কুমার রায়, মো. শাহরিয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও মো. আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনার আলোকে মামলাগুলো করা হয়েছে। মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ধারা ২ (ঠ) এবং কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এর ধারা ১৫৬(৫) অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মামলাগুলোর তদন্ত করবে।

এর আগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালংকার মজুত করার অভিযোগে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ অনুযায়ী ঢাকা কাস্টম হাউসে পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চোরাচালানের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার এনে এর অর্থ অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সঠিক পরিমাণ তারা আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ করেনি।

বনানীর হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদের পরিবারের মালিকানাধীন আপন জুয়েলার্সের ১৫ দশমিক ৩ মণ সোনা এবং ৭ হাজার ৩৬৯টি হীরার অলঙ্কার জব্দ করে গত জুনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠায় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

এ ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার মজুদ, মেরামত, তৈরি, বিক্রিসহ বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘটিত ভ্যাট ফাঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটগুলো কাজ করছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি চোরাচালান, শুল্ক ফাঁকি, মানিলন্ডারিং, ভ্যাট ফাঁকি, আয়কর ফাঁকি ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য দুদক আইনে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে এনবিআরের মাধ্যমে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে এতে বলা হয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


স্পন্সরড কনটেন্ট
জনপ্রিয়
আরো পড়ুন