(প্রিয়.কম) যুক্তরাষ্ট্রের ’প্রথম মুসলিম’ হিসেবে সমকামী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বাংলাদেশি বংশদ্ভূত জাহেদ চৌধুরীকে এসিড হামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে মুসলিম সঙ্গীর অংশগ্রহণে এটিই যুক্তরাজ্যের প্রথম সমাকামী বিয়ে। প্রসঙ্গত, ওই বিয়েতে নাকফুল পরেছিলেন জায়েদ।

যুক্তরাজ্যের ওয়ালসাল রেজিস্টার অফিসে বিয়ের অনুষ্ঠানের পর থেকেই তিনি এসিড হামলার হুমক্তি পাচ্ছেন বলে জানিয়ে ইউটিউবে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। এ ছাড়া অনলাইন এবং রাস্তায়ও তিনি এসিড হামলার হুমকি পাচ্ছেন বলে বিবিসির এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন জাহেদ।

তবে হুমকির পাশাপাশি অনেকের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন এ যুগল। বিবাহের অনুষ্ঠানের পর হত্যার হুমকি ও রাস্তায় হয়রানির শিকার হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, পরবর্তীতে তোমাকে রাস্তায় দেখলে আমি এসিড দিয়ে তোমার মুখ ঝলসে দিব। তিনি আরও বলেন, আমি রাস্তায় হাঁটার সময় অনেকে আমার উপর থুথু নিক্ষেপ করেন এবং বাজে ভাষায় গালি দেন। আমি শুধু হেঁটে যাই।

এ ঘটনায় এখনও পুলিশে কোন অভিযোগ না জানানোর কথা জানিয়েছেন এ যুগল।

বিয়ের বিষয়ে অনেকের সমর্থন পাওয়ার কথা জানিয়ে জাহেদ বলেন, আমি মুসলমান পরিবারে বড় হয়েছি এবং কোরআন আমাকে বলেছে তুমি মুসলমান এবং সমকামী হতে পার না। তবে আমি আমার জীবনকে এভাবেই বেঁছে নিয়েছি। আমি আমার বিশ্বাস থেকে কখনোই সরব না।

পূর্বে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও নিজের সমকামিতার কথা প্রকাশ করার পর থেকে পরিবার থেকে সমর্থন পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলেছেন যার ভিউ সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশ। ইউটিউব এবং অনলাইনে নিজ ধর্মালম্বীদের সমকামিতার সমর্থন যুগানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

 

প্রিয় সংবাদ/কামরুল