সত্তরের দশকে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী গীতা কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মৃত্যু বৃদ্ধাশ্রমে, দেখতে আসেননি সন্তানেরা

মৃত্যুর আগে গীতা কাপুর জানিয়েছিলেন, ছেলে রাজা প্রায় তাকে মারতেন। দিনের পর দিন তাকে অনাহারে রাখতেন। চারদিন পর একবার তাকে খেতে দেওয়া হতো।

তাশফিন ত্রপা
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৬ মে ২০১৮, ১৭:১০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৯:১৬


সত্তরের দশকে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী গীতা কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বলিউডের সাড়া জাগানো ‘পাকিজা’ ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী গীতা কাপুর পাড়ি জমিয়েছেন পরপারে। আজ ২৬ মে বৃদ্ধাশ্রমে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর খবর পেয়েও অভিনেত্রীকে দেখতে আসেনি তার কোনো ছেলে-মেয়ে।

ভারতের মুম্বাইয়ে আবস্থিত ওই বৃদ্ধাশ্রমে গত এক বছর ধরে সন্তানদের একনজর দেখার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ৫৮ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী। কিন্তু সেটি আর সম্ভব হয়ে উঠেনি।

২৬ মে, শনিবার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির  এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সত্তরের দশকে ভারতের নামকরা অভিনেত্রী ছিলেন গীতা কাপুর। গত বছরের মে মাসের এক দুপুরে গীতা কাপুরকে অসুস্থ অবস্থায় মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান তার ছেলে রাজা। এরপর এটিএম কার্ড থেকে টাকা তুলে আনার কথা বলে মাকে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান রাজা।

পরে সেখান থেকে গীতাকে উদ্ধার করেন ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। সেদিন তার চিকিৎসা শেষ করে হাসপাতালের সকল খরচ পরিশোধ করেছিলেন অশোক। এরপর তিনি গীতা কাপুরকে মুম্বাইয়ের একটি বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আসেন।

আজ সেই বৃদ্ধাশ্রমে তার মৃত্যুর কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন এ নির্মাতা।

মৃত্যুর আগে গীতা কাপুর জানিয়েছিলেন, ছেলে রাজা প্রায় তাকে মারতেন। দিনের পর দিন তাকে অনাহারে রাখতেন। চারদিন পর একবার তাকে খেতে দেওয়া হতো।

প্রিয় বিনোদন/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং