ছবি সংগৃহীত

শিক্ষকদের কাছে জিম্মি অভিভাবক-শিক্ষার্থী – দৈনিক যুগান্তর

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি), সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি এবং ভর্তি পরীক্ষা কোচিং ব্যবসাকে দরুণভাবে উৎসাহিত করছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০১৭, ২১:৪৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৩:৪৮
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০১৭, ২১:৪৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৩:৪৮


ছবি সংগৃহীত

ফাইল ছবি। 

(প্রিয়.কম) প্রাইভেট টিউটর ও কোচিংমুখী হয়ে পড়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা। স্কুল-কলেজে কোনো রকম হাজিরা দিয়েই শিক্ষার্থীদের ছুটতে হয় কোচিং সেন্টারে। সেখানেই হচ্ছে তাদের মূল লেখাপড়া। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ শিক্ষকই ক্লাসে তেমন মনোযোগী নন। দায়সারা গোছের ক্লাস নিয়েই প্রতিদিনের কাজ শেষ করছেন তারা।

এভাবেই অসৎ শিক্ষকরা তাদের কাছে পড়তে বাধ্য করছেন শিক্ষার্থীদের। শুধু তাই নয়, ছাত্রছাত্রীদের বাগিয়ে আনতে নানা অজুহাতে ক্লাসরুম বা পরীক্ষার হলে পেটানো, নম্বর কম দেয়াসহ বিভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নেন শিক্ষকদের কেউ কেউ। এসব কোচিংবাজ শিক্ষকের কাছে রীতিমতো জিম্মি হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এটি যেন ‘মহামারী আকার’ ধারণ করে ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও।

৪ এপ্রিল মঙ্গলবার ‘শিক্ষকদের কাছে জিম্মি অভিভাবক-শিক্ষার্থী’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি), সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি এবং ভর্তি পরীক্ষা কোচিং ব্যবসাকে দরুণভাবে উৎসাহিত করছে। এতে বহুগুণে বেড়েছে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ। এছাড়া কোনো কোনো কোচিংয়ে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রয়েছে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অসংখ্য অভিযোগ। আর ভর্তি কোচিংসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ছাত্রশিবির ও নিষিদ্ধ ঘোষিত হিজবুত তাহরিরের উগ্র রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার করার অভিযোগ আছে। শুধু তাই নয়, এসব প্রতিষ্ঠানের আয়ের অর্থ রাজনৈতিক কাজেও ব্যবহার হয় বলেও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। একইসঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ভুয়া পরীক্ষার্থী সরবরাহ করারও অভিযোগ রয়েছে কোনো কোনো কোচিং সেন্টার ও শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, কোচিং ব্যবস্থা একটা অনৈতিক পদ্ধতি। এটি মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে একেবারে প্রতিবন্ধী করে ফেলেছে। কাজেই এটার বিরুদ্ধে আমাদের নামতেই হবে। সরকার চাইলে এক বছরের মধ্যে সব ধরনের কোচিং নির্মূল সম্ভব। তবে এটি করার আগে মূলধারার শিক্ষার ক্রমাগত উন্নয়ন করতে হবে।

প্রিয় সংবাদ/বাদল/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...