(প্রিয়.কম) দুইজন ভক্তকে ধর্ষণের মামলায় ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ভারতের বিতর্কিত ‘ধর্মগুরু’ গুরমিত সিং রাম রহিমকে। গত ২৫ আগস্ট রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেয় আদালত। ওই দিনই ভারতের পাঁচকুলার আদালত থেকে রোহতকের জেলে নিয়ে যাওয়া হয় ‘বাবাকে’। জেল পরিবর্তন করার জন্য হেলিকপ্টার করে এক জেল থেকে আরেক জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। জানা গেছে, এ সময় সেবিকা হিসেবে হেলিকপ্টারে ছিলেন বাবার ‘এঞ্জেল কন্যা’ হানিপ্রীত।

বাবার ‘এঞ্জেল কন্যা’ যাতে বাবার সঙ্গে হেলিকপ্টারে থাকতে পারেন সেজন্য চিকিৎসকরা বাবাকে অসুস্থ বলে ভুয়া সনদপত্র দেয়।

১৮ আগস্ট সেই সনদপত্রটি দেওয়া হয়। সনদপত্রে লেখা ছিল, রাম রহিমের শারীরিক অবস্থা ভালো না। তার কোমরে সমস্যা, তার সঙ্গে একজন সেবিকা থাকা জরুরি। আর সেই সেবিকা হিসেবে হেলিকপ্টারে চড়ে বসেন বাবার ‘এঞ্জেল কন্যা’ হানিপ্রীত।

অভিযোগ উঠেছে রাম রহিমকে জেলে নিয়ে যাওয়ার আগে রোহতকের কোনো এক জায়গায় হানিপ্রীতের সঙ্গে একান্তে আলোচনা করেছেন এই বাবা। আর এ ঘটনায় প্রেক্ষিতে এখন হারিয়ানার পুলিশের দিকে আঙুল তুলছেন অনেকে। 

রাম রহিমের অসুস্থতার যে সনদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দিয়েছে, তাদের মধ্যে সমীর বেহল ও জয় কার্তানি নামে দুই চিকিৎসক ছিলেন বলে জানা গেছে। তারা দুজনই দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালের চিকিৎসক বলে জানা গেছে।

প্রিয় সংবাদ/মিজান