(প্রিয়.কম) সম্প্রতি গর্ভাবস্থায় জটিলতার কারণে স্বল্প ওজন ও নানা জটিলতা নিয়ে জন্ম নিচ্ছে অনেক শিশু। তাদের জন্য যে পরিমাণ নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) প্রয়োজন তা খুবই অপ্রতুল। অন্যদিকে শিশুদের জটিল রোগ আরোগ্যে যেখানে পেডিয়েট্রিক আইসিইউ’র (পিআইসিইউ) প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে কোন পিআইসিইউ নেই।

১৯ মে শুক্রবার সময় টিভি’র এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে যেসব শিশু ৩৪ সপ্তাহ আগে ও এক কেজি আটাশ গ্রামের নিচে জন্ম নিচ্ছে যেসব শিশু তাদের জন্য প্রয়োজন নবজাতক এনআইসিইউ। এছাড়া ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জটিল রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজন পিআইসিইউ। কিন্তু দেশে এনআইসিইউ ও পিআইসিইউ’র সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

ঢাকা শিশু হাসপাতাল নিউনেটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এম এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘বাচ্চারা অর্ধেকের বেশি জন্মগ্রহণ করছে গ্রামে, যেখানে কোন সুযোগ সুবিধা নেই। একটা শিশু অসুস্থ হলে যেখানে পরিচর্যার ব্যবস্থা আছে সেখানে আনতে আনতেই হয়তো সে চলে যাচ্ছে। এসেও সঙ্গে সঙ্গে সে জায়গা পাচ্ছে না।’

প্রতি হাজারে বাংলাদেশে এখনো শিশু মৃত্যুর হার ২০ থেকে ২৫ জন। যেখানে মধ্য আয়ের দেশে উন্নতি হতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে হবে অন্তত ৫ এর নিচে। তাই স্বাস্থ্যখাতের এই অংশটির উন্নয়নের দিকে বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

শিশুদের জন্য এনআইসিইউ সেবা বাড়ানোর ক্ষেত্রে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) পরিচালক ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘২০২২ সালের মধ্যে আমরা সব ধরণের যান্ত্রিক সুবিধাসহ জেলা সদরের হাসপাতালে অন্তত পাঁচ থেকে দশটা বেডের ব্যবস্থা করতে পারবো।’

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/মিজান