(প্রিয়.কম) সরকারের ওপর লেভেল থেকে কী করে বিদ্যুতের দাম বেশি বেশি বাড়ানো যায় সে চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম। 

২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক আয়োজিত গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পক্ষ থেকে পুনরায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলে তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অযৌক্তিক। 

এসময় তিনি বলেন, ‘সর্বাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর যদি এমন হয়, এর থেকে বেশিভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় আরো বাড়ানো যায় না। সেই পথ অবলম্বন করে চলেছে সরকার। এমন অবস্থায় জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো যাবে কি না, সে বিষয়ে কমিশনকে ভেবে দেখতে হবে।’

তা ছাড়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্তে ঘাটতি আছে বলে মনে করেন তিনি। 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এর করা প্রস্তাবে পাইকারি পর্যায়ে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ৭২ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য বিইআরসিতে প্রস্তাবনা জমা দেয়া হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের হিসাব-নিকাশ শেষে পিডিবির পক্ষ থেকে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম দশমিক ৭২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। তাদের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্তে দেখানো হয় ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আয়-ব্যয় হিসাব করলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৮৭ পয়সা বাড়বে। আর ২০১৭-১৮ সালের হিসাবে এই বাড়ানোর হিসাব দাঁড়াবে এক টাকা নয় পয়সা।

আইন অনুযায়ী এই গণশুনানির ৯০ দিনের মধ্যে দাম বাড়ানের ঘোষণা দেবে বিইআরসি। পিডিবির প্রস্তাবের ভিত্তিতে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ৫৭ পয়সা করে বাড়ানো যেতে পারে বলে মনে করছে বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল