(প্রিয়.কম): সামনে আসছে ঈদের ছুটি, আর অনেকেই এর মাঝে পরিকল্পনা করে ফেলেছেন ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যাবার। বিশেষ করে কাশ্মীর ও লাদাখ বছরের এই সময়টা অত্যন্ত উপযোগী ঘুরতে যাবার জন্য। আর তাই ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোতে চলছে দারুণ ভিড়। তবে ভিসা আবেদন করা নিয়ে নানা রকম বিভ্রান্তীতে ভুগছেন অনেকেই। বিশেষ করে যাদের এন আই ডি কার্ড নম্বর গত কিছুদিন আগে পরিবর্তন হয়েছে, তারা ভেবেই পাচ্ছেন না যে তারা এখানে কোনটা দেবেন, কারণ ভারতীয় ভিসার আবেদনে বিশেষ ভাবে বলা আছে সব তথ্য পাসপোর্ট এর সাথে মিলতে হবে।

পাসপোর্ট এন আই ডি নম্বর

অনেকের পাসপোর্টেই রয়েছে ১৭ ডিজিট এর এন আই ডি নম্বর। ছবি: সংগৃহীত।

করনীয় কি আপনার?

বেশ কিছুদিন ধরে সবাইকে স্মার্ট কার্ড দেবার কাজ চলছে। ধাপে ধাপে বিভিন্ন এলাকার মানুষজনকে স্মার্ট কার্ড দেয়া হচ্ছে আর এখানেই হয়েছে সমস্যাটা। আগে যাদের তের ডিজিটের নাম্বার ছিল, তাদেরকে একটা সময়ে এই নম্বর এর সামনে জন্মসাল যোগ দিয়ে সেটাকে সতের ডিজিট এর নম্বর করা হয়েছে। এভাবেও পাসপোর্টে দেয়া এন আইডি এর সাথে নম্বরের পার্থক্য হয়ে গেছে অনেকেরই। 

এরপরে যখন স্মার্ট কার্ড দেয়া শুরু হল, তখন দেখা গেল এই সতের ডিজিট গেছে আবারও কমে। আবার যারা স্মার্ট কার্ড হাতে পাননি এখনও, কিন্তু কোন কারণে কার্ড হারিয়ে গিয়ে বা চুরি যাবার কারণে নতুন করে আবেদন করে আইডি কার্ড নিয়েছেন, তারাও স্মার্ট কার্ড এর জন্য যে নম্বর বরাদ্দ হয়েছে, সেটিই পেয়েছেন।

স্মার্ট কার্ডে নম্বর সবারই পরিবর্তন হয়ে গেছে। ছবি: সংগৃহীত।

এখন আপনি যখন ভারতীয় ভিসার ফর্ম পূরণ করতে যাবেন, তখন দেখবেন সেখানে লেখা আছে, আপনার পাসপোর্টের ঠিক যেভাবে আইডি কার্ড এর নম্বর আছে, সেভাবেই দিতে হবে। (ধরে নেয়া হল আপনি এন আই ডি দিয়ে করেছেন, বার্থ সার্টিফিকেট দিয়ে নয়।) পাসপোর্টের সাথে মিলিয়ে পুরাতন নম্বর দেবেন? কিন্তু সেই কার্ড তো বাতিল করা হয়েছে। নতুন কার্ডের নম্বর তো পাসপোর্টের সাথে মিলবে না।

এক্ষেত্রে আপনি যা করতে পারেন তা হল, আপনার ভিসা ফর্ম এ পুরাতন কার্ডের নম্বরটিই দেবেন পাসপোর্টের সাথে মিলিয়ে। এর সাথে নতুন কার্ডের ফটোকপি ও সম্ভব হলে পুরাতন কার্ডের ফটোকপিও জমা দেবেন।

আপনার নতুন নম্বর এর সাথে পুরাতন নম্বর এর সংযোগ আছে। পুরাতন নম্বরটা ইন-ভ্যালিড হয়ে যায়নি। তাই নতুন বা পুরাতন যেকোনো নম্বর দিয়ে সার্চ দেয়া হলে আপনার সব তথ্যই ঠিকভাবে দেখাবে।

সুতরাং যেহেতু বলা আছে, পাসপোর্টের সাথে এনআইডি বা সিটিজেন-শিপ নাম্বার মিলতেই হবে, তাই পুরাতনটা দেয়াই নিরাপদ এবং সেই সাথে নতুন ও পুরাতন, দুটারই ফটোকপি দেয়া ভাল হবে।

এভাবে কাজ করে আপনি ভিসা রিজেকশন এর আশঙ্কা কমিয়ে আনতে পারেন সহজেই।

 

সম্পাদনা: ড. জিনিয়া রহমান।
ভ্রমণ সম্পর্কিত আরও জানতে চোখ রাখুন আমাদের প্রিয় ট্রাভেলের ফেসবুক পাতায়। 
ভ্রমণ নিয়ে আপনার যেকোনো অভিজ্ঞতা, টিপস কিংবা লেখা পোস্ট করুন আমাদের সাইটে আর জিতে নিন একজন সঙ্গী নিয়ে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা বিমান টিকেটসহ দুই রাত, তিন দিন অভিজাত হোটেলে থাকার ব্যবস্থা।
আপনাদের মতামত জানাতে ই-মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানায়।