তথ্যপ্রযুক্তির সহজ পাঠ ‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’

বইটিতে সহজ বাংলায় ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডাটা, মোবাইল টেকনোলজি কিংবা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

খন্দকার মহিউদ্দিন
সহ-সম্পাদক
১৩ মার্চ ২০১৮, সময় - ২৩:৩৭

‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’ বইয়ের প্রছদ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) বিশ্বায়নের কালে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে জানার আগ্রহ বাড়ছে দেশে দেশে। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। কিন্তু মাতৃভাষায় প্রযুক্তিবিষয়ক বই কম থাকায় সেই চাহিদা সর্বাংশে পূরণ হচ্ছে না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রচিত হয়েছে ‘অদৃশ্য প্রযুক্তি’ নামের একটি বই। এটি লিখেছেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন। 

বইটিতে সহজ বাংলায় ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বিগ ডাটা, মোবাইল টেকনোলজি কিংবা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়েকোবাদ

বুয়েটের এই শিক্ষকের মতে, অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. সাজ্জাদ হোসেন দেশের তরুণদের কর্মযোগ্যতা বৃদ্ধিতে বলিষ্ঠ অবদান রাখছেন। তথ্যবহুল এই বই পড়ে বিজ্ঞানের ছাত্ররা যেমন উপকৃত হবে, তেমনই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী যেকোনো ব্যক্তি বর্তমান সময়ের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবেন।

বইটি পড়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির অদৃশ্য ও বৈপ্লবিক প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সব বয়স ও পেশার পাঠক এ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিতে পারবেন।

এই বইয়ে লেখক দেখিয়েছেন, ওয়্যারলেস বা তারবিহীন প্রযুক্তি অদৃশ্যভাবে কীভাবে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে কাজ করতে পারছে।  আইওটি, ডাটা অ্যানালিটিক্সের ব্যবহারে বিস্ময়করভাবে আশপাশের বস্তু থেকে শুরু করে গাছপালার মতো প্রাকৃতিক বস্তুকে আঙুলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার আলোচনাও এতে প্রাধান্য পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৃষক ফলন বহু গুণে বাড়াতে পারবে। এ ছাড়া মোকাবিলা করা যাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি কীভাবে মানব জাতির বিনোদন ক্ষেত্র থেকে শুরু করে দেশের প্রতিরক্ষা, চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রত্নতত্ত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে অবদান রাখতে সক্ষম, তা উপস্থাপিত হয়েছে বইটিতে। 

বইটি প্রকাশিত হয়েছে ‘প্রথম পালক’ থেকে এটি পাওয়া যাচ্ছে ঢাকার পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে। অনলাইনে বইটি পাওয়া যাচ্ছে রকমারি ডটকমে। এ ছাড়াও প্রথম পালকের ওয়েবসাইট থেকে বইটি কেনা যাবে www.prothompalok.com লিংকে। পাশাপাশি ১৫১/৭, গুড লাক সেন্টার (৭ম তলা), গ্রিন রোড, ঢাকা–১২০৫ ঠিকানায় গিয়ে বইটি সরাসরি কেনা যাবে।

প্রিয় টেক/আজহার 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
জনপ্রিয়