বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) আগামী নির্বাচন সামনে রেখে শিগগির 'ভিশন-২০৩০'-এর 'পূর্ণাঙ্গ রূপকল্প' উপস্থাপন করবে বিএনপি। নির্বাচনকালীন 'নির্দলীয় সহায়ক সরকারের' রূপরেখা ঘোষণার আগেই এই দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে। ১০-১৫ দিনের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে পরিকল্পনাটি তুলে ধরবেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আগামীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে তারা কীভাবে দেশ পরিচালনা করবেন- তারই একটি বিশদ পরিকল্পনা বই আকারে প্রকাশ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়তে চায় বিএনপি। মহাপরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে থাকছে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, উচ্চকক্ষে বিশিষ্টজন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পদে 'গণশুনানি'র মাধ্যমে নিয়োগ, 'গণভোট' পুনঃপ্রবর্তন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে তদন্ত কমিটি গঠনসহ সব সেক্টরেই আমূল পরিবর্তন।

২১ মার্চ মঙ্গলবার ‘বিএনপির 'ভিশন-২০৩০' রূপকল্প শিগগিরই’ শিরোনামে দৈনিক সমকালে প্রকাশিত এক সংবাদে এই তথ্য উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমকালকে বলেন, বর্তমানে দেশে 'সংকটজনক পরিস্থিতি' চলছে। জাতিকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার নষ্ট রাজনীতির আবর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে দেশ ঘোর অমানিশায় আচ্ছন্ন হবে। বিএনপিই শুধু পারে সেই সম্মুখপ্রসারী ধারাকে এগিয়ে নিতে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ব্যাপকভিত্তিক একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমকালকে বলেন, পৃথিবী এখন বদলে যাচ্ছে। একুশ শতকে এসে জাতিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্রতর হয়েছে। ঐক্য, শৃঙ্খলা, মেধা, যোগ্যতা এবং সমন্বিত পরিকল্পনা ও পদক্ষেপের মাধ্যমে চলমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে যে যার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না।

 

প্রিয় সংবাদ/খোরশেদ