(প্রিয়.কম) দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনার হার বাড়ছে। কিন্তু পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতায় আসার হার বাড়ছে না। আসলেও অনেকেই আবার এ পেশা ছাড়তে চান। সুযোগ পেলে অন্য কোনো চাকরিতে চলেও যান। সম্প্রতি কয়েকজন ‘সেলিব্রেটি সাংবাদিক’ সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যোগদানের বিষয়টি বেশ আলোচনাও এসেছে।

সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, চাকরির অনিশ্চয়তা, পেশাদারিত্বের অভাব এর জন্য দায়ী। চাকরির নিরাপত্তা, পেশাগত ঝুঁকি না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে আগ্রহ বাড়বে। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে তৈরি করতে পারলে ফলাফল পাওয়া যাবে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকাত বিভাগের ২০০৫-০৬ শিক্ষার্থী বর্ষের ৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ জন, ২০০৭-০৮ শিক্ষা বর্ষের ৮ জন এবং ২০০৮-০৯ শিক্ষা বর্ষের সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ১১ জন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০০৬-০৭ শিক্ষা বর্ষের ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন, ২০০৮-০৯ শিক্ষা বর্ষের ৭ জন এবং ২০০৭-০৮ শিক্ষা বর্ষের ১১ জন সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। এমন বিষয় শুধু এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই নয়। সার্বিক চিত্র দেশের প্রায় সব সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই পেশায় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে এগিয়ে থাকলেও অনেকেই পেশা ছাড়ছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে সদ্য পাশ করছেন মানিক। ক্যাম্পাসে কয়েক বছর সাংবাদিকতাও করেছেন। কিন্তু পড়াশোনা শেষে তিনি এখন সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেন তিনি সাংবাদিকতা করছেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে সাংবাদিকতার কোনো নিশ্চয়তা নেই। স্বাধীন পেশা ভাবা হলে বাতির নিচে অন্ধকার। এখানে কেউ মনের কথা বলতে পারে না। নিজের চিন্তা প্রকাশ করতে পারেন না। সকালে চাকরি থাকলেও বিকেলে দেখা যায় অনেকের চাকরি নেই।’ তাহলে কেন এই পেশায় যাব? প্রশ্ন করেন মানিক।

ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাছান প্রান্ত কয়েক বছর আগে শিক্ষা জীবন শেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করে কেন শিক্ষক এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বউ সংসার নিয়ে না খেয়ে থাকার অভ্যাস করতে পারব না। সাংবাদিকতার মতো অনিশ্চত একটি পেশাকে গ্রহণ করলে জীবনের খুঁটি নড়বড়ে হতো। সকালে বিকালে চাকরি হারানোর ভয় থাকত। চাটুকারিতা আর তোষামোদ ছাড়া এখন আর সাংবাদিকতায় কিছু নেই। এর চেয়ে এখানে অনেক ভালো আছি।’

এসব সংকট আর অনিশ্চয়তাকে সমর্থন করে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকায় পড়াশোনা করে ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের সংবাদকর্মী ফজলুর রহমান রাজু।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনও সাংবাদিকতা পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দেশের মাত্র দুই-একটি প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত বেতন কাঠামো মেনে চলা হয়। নিয়মিত বেতন হয় এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কম। সবচেয়ে বড় কথা- সাংবাদিকতা পেশা অনিশ্চয়তায় ভরপুর। কাজের স্থায়িত্ব বা নিশ্চয়তা নেই। ফলে অনেকেই নিজের ক্যারিয়ার বা স্বপ্ন নিয়ে বাজি ধরতে রাজি থাকেন না। অনেকেই আপদকালীন পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকে বেছে নেন।’

তবে ভিন্নতাও আছে বলে মনে করেন এই সাংবাদিক। রাজু বলেন, ‘যতদিন না সাংবাদিকতা পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত না হচ্ছে, ততোদিনই সাংবাদিকতায় পড়ুয়া একটা বড় অংশ সাংবাদিকতায় তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চাইবেন না, এটাই স্বাভাবিক।’

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক প্রিয়.কমকে বলেন, ‘সাংবাদিকতা পেশা এখনও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেনি। আবার নিরাপত্তাও কম। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হওয়া আরেকটি কারণ। আবার যেসব পত্রিকা ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করেছে বলে দাবি করে সেখানে অনেক রকমের ফাঁক-ফোকর রয়েছে বা থাকে।’

সাংবাদিকদের বর্তমান বেতন কাঠানো জীবনমানের সাথে উপযোগী নয় উল্লেখ করে এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘করপোরেট জব বিকশিত হচ্ছে ক্রমাগত। এখানে বেতনও বেশি। আবার ব্যাংকগুলোও ভালো বেতন দেয়। সেটা আরেকটা কারণ হতে পারে। ভালো প্রতিষ্ঠানেরও অভাব বলা যেতে পারে। সে কারণে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, সাংবাদিকতায় হয়তো এখন পেশাগত মান খুব ভালো নেই।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার রানা বলেন, ‘সাংবাদিকতায় পড়াশোনা করে শিক্ষার্থীরা কেন সাংবাদিকতায় আসে না এই বিষয়কে এক কথায় বলা মুশকিল। এই গল্পটা আসলে দীর্ঘ। পেশা হিসেবে সাংবাদিকাতার রঙটা এক সময় আমাদের চোখে পড়ত, কিন্তু এখন আর সেটা নেই। সে কারণে ছেলে-মেয়েরা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিতে আগ্রহী না। অন্য কিছু পেশার সাপেক্ষেও ভালো নেই সাংবাদিকরা।’

‘আমাদের এখানে সাংবাদিকতার সঙ্গে যে ছেলে-মেয়েরা জড়িত, এরা পাঁচ বছর-সাত বছর পরেও হতাশ থাকে। এটা কাটে না। বরং হতাশা আরও বেড়ে যায়। এটা আগে অপ্রকাশিত ছিল। ছেলে-মেয়েরা এগুলো বুঝতে পারত না। কিন্তু এখন তো শিক্ষার্থীরা সেগুলো জানে। এটাও একটা কারণ’, যোগ করেন কাজী মামুন।

তবে নিজের জন্য নিরাপদ হয় সেই চাকরি শুধু সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী নয়, সব বিভাগের শিক্ষার্থীই খোঁজে এমন মন্তব্য করেছেন স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক কাজী আনিছ। তিনি প্রিয়.কমকে বলেন, ‘সাংবাদিকতা পেশায় এখনও নিরাপত্তা গড়ে ওঠেনি। নিরাপত্তা বা পেশাদারিত্ব গড়ে না ওঠায় অনেকেই এই পেশায় যেতে আগ্রহ পাচ্ছে না।’

গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব না থাকায় সাংবাদিকতা পেশাটা ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সাংবাদিকতায় আগ্রহ নিয়ে পড়তে আসা শিক্ষার্থী বাধা পায় পরিবারের সদস্যদের কাছেও। তবুও ইচ্ছার কারণে তারা পড়াশোনা করছে। কিন্তু একপর্যায়ে যখন যে বুঝতে পারে এই পেশায় ‘নিরাপত্তা নেই’ ‘ঝুঁকি রয়েছে’, এসব ভেবেই তারা একটা নিরাপদ জব খুঁজে।’

সাংবাদিকতা আসলে আগ্রহের বিষয় এমন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকতায় অনেকেই রয়েছেন, যারা অন্য পেশায় পড়েছেন। তাদের অনেকেই ভালো করছেন, কারণ তাদের আগ্রহ প্রচুর রয়েছে।’

‘চাকরির নিরাপত্তা, সুন্দর ক্যারিয়ারের নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের (গণমাধ্যম) যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রয়েছে। এজন্য সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের একাডেমিকভাবেও তৈরি করতে হবে। কারণ সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী পেশায় গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয় এবং এতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে’, যোগ করেন একসময় প্রথম আলোয় সাংবাদিকতা করা এই শিক্ষক।

সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও ব্যবহারিক সমস্যাগুলোর মুখোমুখি করে তা থেকে শিক্ষা দিয়ে তাদের তৈরি করার প্রতি জোর দিতে হবে বলে জানান কাজী আনিছ।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবেও তৈরি করতে হবে। এজন্য শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। সাংবাদিকতা পেশায় গিয়ে কী কী ধরনের পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে, কী সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে তার বাস্তব শিক্ষা রপ্ত থাকতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক এই জায়গায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে যে, তুমি যতই দক্ষ হবে, যতই কলাকৌশলগুলো রপ্ত করতে পারবে, ঝুঁকি ও অনিরাপত্তা সত্ত্বেও তুমি সেখানে ভালো করতে পারবে।’

শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগদানের আগে ঢাকায় কয়েক বছর সাংবাদিকতা করেছেন কাজী মামুন হায়দার।

তিনি বলেন, ‘মূল ঘটনাটা হচ্ছে, আমাদের মিডিয়া সেক্টরে একেবারেই পেশাদারিত্ব নেই। যখন পেশাদারিত্ব থাকে তখন সেই পেশার প্রতি মানুষের ভক্তি বা ঝোঁক থাকে না। যারা মিডিয়ার মালিক, যারা মিডিয়া চালান তারা তো প্রত্যেকে মিডিয়াকে যতটা না ব্যবসা হিসেবে দেখেন তার চেয়ে অনেক বেশি জোর দেন তাদের ব্যবসা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে। যখন মিডিয়া ব্যবসা রক্ষার হাতিয়ার হয় তখন সেখানে আর প্রফেশনালিজম থাকে না। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান মিডিয়াকে ব্যবসা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে।’

মালিকপক্ষ মিডিয়াকে ক্ষমতা হিসেবে দেখে উল্লেখ করে এই অধ্যাপক আরও বলেন, একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মীর ব্যাপারে মালিকের ভালোবাসা থাকে। কারণ তিনি মনে করেন, আমার প্রতিটি টাকায় ওই মানুষের রক্ত, ঘাম, শ্রম আছে। কোনো শ্রমিককে শোষণ করতে হলেও তাকে সুস্থ রাখতে হবে। এই কারণে গার্মেন্টস কর্মীদের খাবার, চিকিৎসা এগুলো দেয় মালিক পক্ষ। কিন্তু মিডিয়ার ক্ষেত্রে দরকার মনে করে না। তারা ভাবে আমি তো পাচ্ছি, তাদের কাছে আমার কোনো কোয়ালিটি দরকার নেই। কারণ প্রডাক্টশনের কোয়ালিটি তো গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারখানা গুরুত্বপূর্ণ। প্রোডাক্ট বিক্রি করার দরকার নেই। সার্কুলেশন কম-বেশি কোনো ব্যাপার না। পত্রিকা বের হওয়া দরকার, আমার পত্রিকা বের হয়। আমি সম্পাদক হিসেবে দাওয়াত পাই, প্রকাশক হিসেবে দাওয়াত পাই, এটা আমার দরকার। এতে একটা পাওয়ার আছে। আমায় মন্ত্রী গুরুত্ব দেন। আমাকে রাষ্ট্র গুরুত্ব দেয়। রাষ্ট্রের প্রধানও আমায় গুরুত্ব দেন।’

তবে এর বাইরে মিডিয়াকে যারা শুধু ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে তারা ভালো করছে বলে জানান মামুন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বেতনের সংকট আছে উল্লেখ করেন মামুন হায়দার বলেন, ‘আরেকটা কারণ হলো, একজন সাংবাদিক দিনের ১৮ ঘণ্টা সময় বুম নিয়ে ঘুরে ঘুরে পার করে। কিন্তু মাস শেষে বেতনটা ঠিকমতো পায় না। পরিবারে অর্থনৈতিক সাপোর্ট দিবে সেটাও নেই। আর মোহ বা লোভ সংক্রান্ত বিষয়ও এখন আর থাকছে না। মালিকের মতো করে সব করতে হয। এগুলো কোনো না কোনোভাবে শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব ফেলে। এখন আধুনিক সময়ে ছেলে-মেয়েরা দুটো বিষয় ভাবতে পারত। প্রথমত, টাকা তো আছে। এটা থাকলেও হতো। আর দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে- টাকা না থাকলেও স্বাধীনভাবে কাজ করা যায়। নীতির সাথে আপোষ করতে হয় না। তাহলেও কিছু করতে পারত। সেটাও নেই। কেউ চাইলেও গ্রুপের কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো কিছু লিখতে পারবে না।’

দৃশ্যমান এত সংকটের পরও কেন বিকশিত হচ্ছে সাংবাদিকতায় পড়াশোনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা অকে শিক্ষার্থী ব্যাংকে জব করে। অন্য বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এমন অনেক উদাহরণ আছে। আমাদের থার্ড ওয়ার্ল্ডের কান্ট্রিতে এভাবে স্পেশালাইজেশন বলে কোনো শব্দ সেভাবে আসলে নেই। সারা পৃথিবীতে তৃতীয় বিশ্বের দেশে স্পেশালাইজেশন জন্মায় না। তেমনি একটা ক্রেজ আছে। ওই যে টেলিভিশনে দেখা যায়। মধ্যবিত্তের একটা আকাঙ্ক্ষাও থাকে। কিন্তু বাস্তবে দেখে ভিন্ন দৃশ্য। তখন আবার সে গতিপথ পরিবর্তন করে।

কাজী মামুন বলেন, ‘তবে আমি কিন্তু হতাশাবাদী নই। এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আমি আশাবাদী। তবে আমি প্রফেশানালিজম নিয়ে হতাশ।’

সাংবাদিকতায় পড়ে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের দক্ষতা গড়ে ওঠে জানিয়ে কাজী আনিছ বলেন, ‘বিশ্বে প্রায় প্রত্যেকটি বিষয়েই গণমাধ্যমের একটা প্রভাব রয়েছে মানুষের জীবনে। গণমাধ্যম ও যোগাযোগের বিভিন্ন বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়ানো হচ্ছে সাংবাদিকতা বিভাগে। ফলে বিভাগীয় চাকরির বাইরেও যখন কেউ পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে, তখন কিন্তু এসব তার কাজে দিচ্ছে। কারণ সে যোগাযোগের বিষয়গুলো রপ্ত করেছে। ফলে সেই পেশায়ও সাংবাদিকতার ছাত্ররা ভালো করছে। যোগাযোগের স্কিলটা যে কোনো পেশায় কাজে দিচ্ছে।’

 প্রিয় সংবাদ/রিমন