আদালত চত্বরে খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল

খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত ও সাজার মেয়াদ বৃদ্ধিতে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে তা আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ মে ২০১৮, ০৯:৫৩ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২১:০০


আদালত চত্বরে খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারান্তরীণ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

১৬ মে, বুধবার এ আদেশ দেয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ।

একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত ও সাজার মেয়াদ বৃদ্ধিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক দুটি আপিল খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

এ ছাড়া আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চকে আপিল নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

আদালতে উপস্থিত ছিলেন—দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশিবাজারের অস্থায়ী আদালতের বিচারক ড. আকতারুজ্জামান। মামলার অপর আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত।

রায় ঘোষণার পর থেকেই পুরান ঢাকার নাজিমুউদ্দিন রোডের কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া। রায়ের বিরুদ্ধে ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। একইসঙ্গে জামিনও চান বিএনপির চেয়ারপারসন।

পরে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। শুনানি শেষে আদালত ১২ মার্চ খালেদা জিয়াকে এ মামলায় চার মাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়।

১৩ মার্চ খালেদার জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বারে আবেদন করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে ১৪ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন এবং আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ১৪ মার্চ দিন নির্ধারণ করেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী

এরপর ১৪ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ ১৮ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল করতে আদেশ দেয়।

১৯ মার্চ এ মামলার শুনানি করে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল গ্রহণ করে আপিল বিভাগ। পাশাপাশি ৮ মে পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে আদালত।

গত ৮ মে ও ৯ মে আপিল বিভাগে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী

এরপর রায়ের জন্য ১৫ মে দিন ধার্য করে আদালত। গতকাল সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে আদালতের এজলাসে বসেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ চার বিচারপতি। পরে বেলা ১২টায় শুনানি করতে সময় নির্ধারণ করে আদালত।

বেলা ১২টায় আবার শুনানি শুরু হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত শুনানি করেন। দুপুর ১টায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে রায়ের জন্য বুধবার দিন নির্ধারণ করেন।

প্রিয় সংবাদ/শিরিন/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
বিএনপি নেতাদের কে কোথায় ঈদ করবেন
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ২১ আগস্ট ২০১৮
কে কোথায় ঈদ করছেন ২০ দলীয় জোটের নেতারা
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ২১ আগস্ট ২০১৮
এবারও কারাগারেই কাটছে খালেদা জিয়ার ঈদ
মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক ২১ আগস্ট ২০১৮
দীর্ঘ যানজটের ফাঁদে ঘরমুখো মানুষ
হাসান আদিল ২১ আগস্ট ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং