(প্রিয়.কম) লেখক এবং কলামিস্ট ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ও হয়রানির অভিযোগে দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তিনি জানান, ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির মামলার আগামি ৭ ডিসেম্বর দিন ধার্য রয়েছে। সেদিন চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপর শুনানি হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই সোমবার সকালে ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করা হয়েছে এ অভিযোগ করে তার পরিবারের সদস্যরা বলেন, ভোর চারটার দিকে ফোন আসলে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে আর তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। 

১৮ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগরে খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে উদ্ধার করা হয় ফরহাদ মজহারকে। ৪ জুলাই মঙ্গলবার সকাল নয়টার কিছু আগে তাকে যশোর থেকে আদাবর থানায় নেওয়া হয়।

ওই দিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফরহাদ মজহারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এর পর ঢাকা মহানগর হাকিম মোহা. আহসান হাবীবের আদালতে তাকে তোলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিচারকের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন ফরহাদ মজহার।

ওই আদালতে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে দশ হাজার টাকা মুচলেকায় তা গ্রহণ করেন আদালত। পরে নিজের জিম্মায় মুক্তি পান ফরহাদ মজহার। আদালত থেকে বাসায় ফেরার অনুমতি পাওয়ার পরে ফরহাদ মজহারকে আদালত থেকে সরাসরি রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গত ১৮ জুলাই মঙ্গলবার ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ফরহাদ মজহারকে। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ