ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের পোশাক জঙ্গিদের হাতে যাওয়ার আশঙ্কায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি

এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত আছে। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি একভাবে চলছিল। হঠাৎ করে কেন অন্যভাবে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০১৭, ১৪:১০ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০৭:৪৮


ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) পুলিশ সদর দফতর থেকে জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে পুলিশের পোশাকসামগ্রী চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ পোশাক ব্যবহার করে নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত হওয়ার শঙ্কায় পুলিশের কোনো কর্মকর্তা যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে পোশাকসামগ্রী কিনতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। 

পুলিশের আইজি একেএম শহীদুল হকের পক্ষে অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব ৩০ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, প্রস্তাবটি পাস হলে পুলিশের সব সদস্যকেই সরকারিভাবে সরবরাহ করা পোশাকসামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে পোশাক কেনা বা তৈরির কোনো সুযোগ থাকবে না। বর্তমানে পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তারা সরকারিভাবে সরবরাহ করা পেশাকসমাগ্রী ব্যবহার করেন। কিন্তু পরিদর্শক থেকে শুরু করে আইজিপি পদমর্যদার কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে পোশাক কিনে ব্যবহার করেন।

পোশাকসামগ্রীর মধ্যে প্রায় অর্ধশত আইটেম রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে- শার্ট (হাফ ও ফুল), ফুল প্যান্ট, বুট, মোজা, ফিল্ড ক্যাপ, লেদার বেল্ট, নেম প্লেট, সানগ্লাস, র‌্যাংক ব্যাজ, রেইনকোট, জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান, ছাতা ইত্যাদি।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আনিছুর রহমান বলেন, প্রস্তাবটি মাত্র এসেছে। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত আছে। দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি একভাবে চলছিল। হঠাৎ করে কেন অন্যভাবে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তা ভেবে দেখা হচ্ছে। সরকারিভাবে সরবরাহকৃত পোশাক পরা বাধ্যতামূলক করা হলে কর্মকর্তাদের কিট ভাতা (পোশাক কেনা সংক্রান্ত ভাতা) বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া পোশাক সরবরাহ করতে অতিরিক্ত টাকা খরচ হবে কিনা, তাও দেখার বিষয়। তাই প্রস্তাবটি অনেকে ভালো চোখে দেখছেন না। নানা কারণে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া হয়নি। ভালোভাবে যাচাইয়ের পর এ নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।  

তবে পুলিশ সদর দফতরের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পরিদর্শক থেকে তার ওপরের পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পোশাক সরকারিভাবে সরবরাহ করতে অতিরিক্ত কোনো অর্থের প্রয়োজন হবে না। এসবি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) ও সিআইডি (ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট) ছাড়া পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কিট ভাতা বাবদ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এ টাকা দিয়েই সরকারিভাবে পোশাকসামগ্রী কিনে সরবরাহ করা সম্ভব।

সূত্র: যুগান্তর

প্রিয় সংবাদ/ইতি/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
জানুয়ারিতে খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
মোস্তফা ইমরুল কায়েস ২০ নভেম্বর ২০১৮
মাগুরায় বিষাক্ত মদপানে দুইজনের মৃত্যু
মো. ইমাম জাফর ২০ নভেম্বর ২০১৮
সরকারি হলো আরও ৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
প্রিয় ডেস্ক ২০ নভেম্বর ২০১৮
প্রেমে বাধা দেওয়ায় ছাত্রীর মাকে হত্যা!
তাজুল ইসলাম পলাশ ২০ নভেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ
বাংলা ট্রিবিউন - ৩ দিন, ১৪ ঘণ্টা আগে
রহস্যে মোড়ানো পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
রহস্যে মোড়ানো পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু
বাংলা ট্রিবিউন - ৪ দিন, ৩ ঘণ্টা আগে
চার দিন পরও পুলিশ নীরব
চার দিন পরও পুলিশ নীরব
https://www.prothomalo.com/ - ৩ সপ্তাহ আগে
পুলিশ; কিন্তু মা তো... | কালের কণ্ঠ
পুলিশ; কিন্তু মা তো... | কালের কণ্ঠ
কালের কণ্ঠ - ৩ সপ্তাহ, ২ দিন আগে