আগুনে পোড়ানো হচ্ছে স্মার্টফোন। ছবি: প্রিয়.কম

পাঁচ শতাধিক ‘নিষিদ্ধ স্মার্টফোন’ পুড়িয়ে দিলো মাদরাসা কর্তৃপক্ষ

মাদরাসার ছাত্রদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সর্ম্পূণ নিষিদ্ধ। তবে সাদাকালো ডিসপ্লের মোবাইল ব্যবহার করা যাবে।

তাজুল ইসলাম পলাশ
প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০১৮, ১৮:৫৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৬:০০
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০১৮, ১৮:৫৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৬:০০


আগুনে পোড়ানো হচ্ছে স্মার্টফোন। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) হেফাজতে আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফির নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদরাসার (হাটহাজারী মাদরাসা) আবাসিক ছাত্রদের কাছ থেকে জব্দকৃত পাঁচ শতাধিক স্মার্টফোন পুড়িয়ে দিয়েছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

৪ মার্চ রবিবার রাত ৯টার দিকে মাদরাসার কম্পাউন্ডের ভেতরের মাঠে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে এসব মোবাইল পোড়ানো হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, কয়েকদিন আগে মোবাইল ব্যবহার করা নিয়ে এক ছাত্রের সঙ্গে মাদরাসার এক শিক্ষকের কথা কাটাকাটি হয়। মূলত এরপর থেকে ছাত্রদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন শিক্ষকরা। এক পর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নেন মোবাইল জব্দ করার। এরপর আবাসিক রুমে তল্লাশি চালিয়ে যখন মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়।

এ সময় প্রায় পাঁচ শতাধিক মোবাইল জব্দ করা হয়। পরে রাতে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে মোবাইলগুলো ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে মাদরাসার আবাসিক ছাত্রদের জিম্মাদার (প্রক্টর) ও সিনিয়র শিক্ষক মুফতি জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে প্রিয়.কমকে বলেন, ‘স্মার্টফোন ব্যবহার করার কারণে তারা লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। তাছাড়া মাদরাসার আবাসিক ছাত্রদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।’

তিনি আরও জানান, সাদাকালো ডিসপ্লের মোবাইল ব্যবহার করা যাবে। শুধু কথা বলার জন্য। যেগুলোতে গানবাজনা শোনা ও দেখা যায় সেগুলো জব্দ করা হয়েছে। এটা মাদরাসার বহু দিনের রেওয়াজ বলে দাবি করেন তিনি।

মুফতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রতি বছরই ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। মাদরাসার ছাত্রদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সর্ম্পূণ নিষিদ্ধ।’ যে সব শিক্ষার্থী গোপনে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট ব্যবহার করে তাদের মোবাইল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় বলে জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, রবিবার রাতে দুই বস্তার মতো মোবাইল ফোন সেট জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ রকম আগে কখনো হয়নি।

প্রিয় সংবাদ/ফারজানা/রিমন