(প্রিয়.কম) বিয়ে করার জন্য ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিল প্রেমিকা। সে আবার সহপাঠীও বটে। তাতেই মাথা বিগড়ে যায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের। ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে সেই প্রেমিকাকেই খুন করে বসে সে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে। খুনের অভিযোগে সাই কিরণ নামের ওই তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে  নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে কিরণ।

পুলিশ বলছে, ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকেই নিখোঁজ ছিল চাঁদনী জৈন নামে বছর সতেরোর ওই ছাত্রী। হায়দরাবাদের এক ব্যবসায়ীর মেয়ে সে। তার বোন নিবেদিতা জানিয়েছে, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার নামে চাঁদনী ওই দিন সকালে বাড়ি থেকে বের হয়। রাত ৯টা বেজে গেলেও বাড়ি না ফেরায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন। পরে চাঁদনীর বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে একটি পাহাড়ের নীচে তার বিকৃত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে পুলিশ জানিয়েছে, শেষ তাকে বন্ধু সাই কিরণের সঙ্গেই একটি অটোরিকশা থেকে নামতে দেখা গিয়েছিল। তারপর বাস ধরার জন্য তারা এগিয়ে যায়।

চাঁদনীর পরিবারের দাবি, কিরণের সঙ্গেই সম্পর্ক ছিল চাঁদনীর। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত কিরণের সহপাঠী ছিল চাঁদনী। বান্ধবীর মৃত্যুর খবর পেয়ে সমবেদনা জানাতে কিরণ তাদের বাড়ি যায়। তখনই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে কিরণ জানিয়েছে, চাঁদনীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বছর দুয়েকের। কিন্তু শেষ কয়েক মাস ধরে সে বান্ধবীকে এড়িয়ে চলছিল। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। কিন্তু তাকে ক্রমাগত বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছিল চাঁদনী। ওই দিন সে তার বান্ধবীকে শহর থেকে একটু দূরে পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, তার পরেই সে চাঁদনীকে প্রায় ১০ ফুট নীচে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।

 

প্রিয় সংবাদ/সজিব