ছবি সংগৃহীত

মডেল রাউধার মৃত্যুতে সহপাঠীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

রাউধার বাবা ডা. মোহাম্মদ আতিফ বাদী হয়ে রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ১০ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মামলাটি দায়ের করেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০১৭, ০৮:৩২ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৬
প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০১৭, ০৮:৩২ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৮:১৬


ছবি সংগৃহীত

মডেল রাউধা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী মালদ্বীপের মডেল রাউধা আতিফের মৃত্যুর ঘটনায় তার এক সহপাঠীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাউধার বাবা ডা. মোহাম্মদ আতিফ বাদী হয়ে রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে ১০ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মামলাটি দায়ের করেন।

রাউধা আতিফ রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার সহপাঠী কাশ্মীরি শিক্ষার্থী সিরাত পারভীন মাহমুদকে সন্দেহভাজন আসামি করা হয়েছে আরজিতে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী কামরুল মনির বলেন, সোমবার সকাল ১০টায় আরজিটি রাজশাহী মহানগর হাকিম আদালতে উপস্থাপন করা হয়। বিচারক সাইফুল ইসলাম বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য নগরের শাহমখদুম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেল থেকে রাউধা আতিফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়, রাউধা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় ওই দিনই কলেজ কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহমখদুম থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

একজন উঠতি মডেল হিসেবে রাউধা আতিফের ছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতি। ভারতের বিখ্যাত ‘ভোগ ইন্ডিয়া’ সাময়িকীর প্রচ্ছদে স্থান পেয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী মালদ্বীপের ‘নীলনয়না’ এই মডেল। তার মৃত্যুর পর লাশ দেখতে রাজশাহী আসেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত আয়েশাথ শান শাকির এবং মা-বাবাসহ ৮-৯ জন নিকটাত্মীয়।

এরপর গত ৩১ মার্চ মেডিকেল বোর্ড গঠন করে রাউধার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। রাউধা আত্মহত্যা করেছেন উল্লেখ করে ওই দিনই বোর্ড ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে রাজশাহীতে রাউধার দাফন সম্পন্ন হয়। এরপর গত বুধবার রাউধার মা আমিনাথ মুহাররিমাথ ও ছোট ভাইসহ চারজন দেশে ফিরে যান। তবে বাবা ডা. মোহাম্মদ আতিফসহ বাকিরা এখনও আছেন রাজশাহীতে।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ