গুরমতি রাম রহিম সিং। ছবি: সংগৃহীত

‘মুঝে মাফ কার দো’

দোষীসাব্যস্ত ঘোষণা করার পর রাম রহিমকে রোহতকের সুনারিয়া কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বিশেষ আদালত বসিয়ে বিচারক জগদীপ সিং সাজা ঘোষণা করেন।

হাসান আদিল
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৮ আগস্ট ২০১৭, ২২:০৫ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১১:৪৮


গুরমতি রাম রহিম সিং। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২৮ আগস্ট সোমবার সাজা ঘোষণা করা হয় স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু রাম রহিম সিংয়ের। এতে দুটি ধর্ষণ মামলায় প্রত্যেকটিতে ১০ বছর করে ২০ বছরের সাজা প্রদান করা হয়। যা ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে।

এর আগে, ২৫ আগস্ট শুক্রবার দোষীসাব্যস্ত ঘোষণা করার পর রাম রহিমকে রোহতকের সুনারিয়া কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বিশেষ আদালত বসিয়ে বিচারক জগদীপ সিং সাজা ঘোষণা করেন।

সাজার শোনার পর গুরমিত রাম রহিম সিং ভেঙে পড়েন। নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে কেঁদে কেঁদে ক্ষমা চাইতে থাকেন ‘মুঝে মাফ কার দো’ বলে। এ সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান।

স্বঘোষিত এ ধর্মগুরুকে জেলের সাজা প্রদানের সঙ্গে আর্থিক জরিমানাও করেছে। প্রত্যেকটি মামলার জন্য ১৫ লক্ষ রুপি করে জরিমানা করা হয়। যার বিরাট একটি অংশ ভুক্তভোগীরা পাবেন। 

সোমবার সাজা ঘোষণার কেন্দ্র করে হরিয়ানায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়; বন্ধ ছিল রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মোতায়েন করা হয় আধা সামরিক বাহিনী। সতর্কতার অংশ হিসেবে রাজ্যের তিনটি স্টেডিয়াম, স্কুলগুলোকে অস্থায়ী কারাগার হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়। নির্দেশ অমান্য করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয় বাহিনীকে। সর্বত্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরণের কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। 

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে দুই নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ষণ মামলা হয় গুরমতি রাহ রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে। ২৫ আগস্ট শুক্রবার রায় ঘোষণা করা হলে তাকে কেন্দ্র করে গুরুর আশ্রম ডেরা সাচ্চা সওদার ভক্তরা হরিয়ানা ও পাঞ্জাব জুড়ে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। এতে প্রায় ৩৮ জন প্রাণ হারান। 

সূত্র: এনডিটিভি, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

প্রিয় সংবাদ/শান্ত  

 

 

 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
স্পন্সরড কনটেন্ট
মইনুলের বিরুদ্ধে দুই মামলা, জামিন
মইনুলের বিরুদ্ধে দুই মামলা, জামিন
মানবজমিন - ২৩ ঘণ্টা আগে