মুক্তিপিন ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: প্রিয়.কম

চট্টগ্রামের দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে চালানো হলো প্রিয় মুক্তিপিনের প্রচার

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের ডিজিটাল ম্যাপে সংরক্ষণে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৩:১৪ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০২:১৭
প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১৩:১৪ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ০২:১৭


মুক্তিপিন ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সর্বপ্রথম ও সবচেয়ে বড় ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির লক্ষ্যে চলমান ‘প্রিয় মুক্তিপিন’ নামের প্রচার কর্মসূচি অনুুষ্ঠিত হয়েছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

১৭ জানুয়ারি, বুধবার ও ১৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এবং পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এই প্রচার চালানো হয়।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সহায়তা ও প্রিয় লিমিটেডের আয়োজনে ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ‘প্রিয় মুক্তিপিন’ নামের প্রচার চলছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাংলাদেশের ডিজিটাল ম্যাপে সংরক্ষণে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

‘মুক্তিপিন গাঁথো, যুদ্ধকে জানো’ স্লোগানকে সামনে রেখে চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুক্তিপিন আয়োজক দল সারা দেশের বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে। সেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানোর পাশাপাশি ‍মুক্তিপিন কর্মসূচি সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে।

বুধবার চুয়েটে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন। ওই দিন মুক্তিপিনের ডিজিটাল আর্কাইভে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরের দিন চট্টগ্রামের বেসরকারি পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির কম্পিউটার সায়েন্সসহ অন্য কিছু বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

সবার জন্য উন্মুক্ত দুটি অনুষ্ঠানেই অংশ নেন বহু শিক্ষার্থী। তাদের অনেকেই মুক্তিপিন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। 

মুক্তিপিন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা

দুটি কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রীদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানায় উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজন করা হয় কুইজ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় সঠিক উত্তরদাতার জন্য ছিল মুক্তিপিনের উপহার সামগ্রী।

অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় প্রধানদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রিয় মুক্তিপিনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক। 

পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে প্রিয় মুক্তিপিন আয়োজক দল থাকবে বরিশাল, সিলেটের মতো বিভাগীয় শহরগুলোতে।

প্রিয় সংবাদ