নব্য জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরে নব্য জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার

রোববার রাতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গণি এ তথ্য জানায়।

সানী ইসলাম
কন্ট্রিবিউটর, শেরপুর
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ১৬:৩১ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:০০
প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ১৬:৩১ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২২:০০


নব্য জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) শেরপুরের নকলার চন্দ্রকোনা এলাকার আবুল কাশেম (২২) নামে এক নব্য জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ২২ অক্টোবর রোববার রাতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গণি এ তথ্য জানায়।

গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারের তানিশা গার্মেন্টস এন্ড সুজ দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৮ কন্টেইনার ভর্তি বিপুল পরিমাণের বিস্ফোরক প্রস্তুত সামগ্রী উদ্ধার করে জেলা পুলিশ। এ সময় উদ্ধারকৃত ওই বিস্ফারক প্রস্তুত সামগ্রী নিয়ে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম ওই সময় পালাতক ছিলেন।

এদিকে পুলিশ হেড কোয়ার্টারস এর প্রযুক্তিগত সহায়তায় শেরপুর জেলা পুলিশ তথ্য পায় আবুল কাশেম ২২ অক্টোবর রোববার ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে তার সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় রওনা হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে পুলিশের বিশেষ দল আগে থেকে ওত পেতে থেকে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার এলাঙ্গা মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে শেরপুর নিয়ে এসে প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে জেএমবি’র নব্য সদস্য হওয়ার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ দাবি করছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জেএমবি সংগঠনের সিনিয়রদের নির্দেশে গত ফেব্রুয়ারি মাসে নকলার চন্দ্রকোনায় ৬০০ শত টাকায় ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বাড়িটিতে সাবলেট ভাড়া নেয়। এরপর মার্চ মাসে রাতের বেলা ছোট্ট একটি ট্রাকে করে ১৮ কন্টেইনার ওই বিস্ফোরক প্রস্তুতের তরল পদার্থ নিয়ে এসে ওই ঘরে মওজুদ করে। তাদের পরিকল্পনা ছিল বিগত কোরবানির ঈদ এবং দুর্গা পূজোয় বড় ধরনের নাশকাতামূলক কাজ করবে। কিন্তু জেলা পুলিশের গোয়েন্দা এবং বিশেষ নজরদারির কারণে তারা নাশকতা ঘটাতে পারেনি।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...