ফাইল ছবি। 

(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গারা যদি দেশে ফিরে বিচার চায় তাহলে তারা উন্মুক্ত আদালতে বিচার পাবে। তাদের অনেকে দেশে ফিরতেও শুরু করেছে। তাদের ফেরায় বাধা দেওয়া হচ্ছে না। যারা ফিরে যাচ্ছে তাদের জন্য নতুন গ্রাম করে দেওয়া হচ্ছে।

মিয়ানমার পুলিশ ফোর্সের (এমপিএফ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। বিজিবি ও এমপিএফের সীমান্ত সম্মেলনে তাঁরা এ কথা জানান। ২ এপ্রিল রোববার সকালে বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় এ সম্মেলন শুরু হয়। ছয় দিনের সম্মেলন।

২ এপ্রিল সোমবার ‘রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন গ্রাম হচ্ছে’ শিরোনামে দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক সংবাদে এই তথ্য উঠে এসেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মিয়ানমারের নাগরিকরা (রোহিঙ্গা) বাংলাদেশে এসে কী সমস্যার সৃষ্টি করছে তা তুলে ধরা হয় সম্মেলনে। জানানো হয়, তাদের কারণে বাংলাদেশে বিরূপ সামাজিক প্রভাব পড়ছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। উজাড় হচ্ছে বন। মিয়ানমারের প্রতিনিধিদল এসব স্বীকার করে জানায়, তাদের দেশে একটি সমস্যা হয়েছিল। সে কারণে তাদের লোকজন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছিল। তারা দাবি করে, চলে আসা লোকদের অনেকেই ফিরে যাচ্ছে মিয়ানমারে। তাদের জন্য মিয়ানমার সরকার নতুন গ্রাম বানাচ্ছে। সেখানে তারা নির্ভয়ে থাকতে পারবে।

মিয়ানমার পক্ষ আরো জানায়, দেশে ফিরে যদি তারা (রোহিঙ্গারা) কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তাহলে উন্মুক্ত আদালতে (ওপেন কোর্ট) অভিযুক্তদের বিচার হবে। তারা হামলার শিকার হয়ে থাকলে ওপেন কোর্টে বিচার পাবে। মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে এসে সমস্যা তৈরি করার জন্য তারা দুঃখ প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মিয়ানমার থেকে ভয়ংকর মাদক ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এর কারণে যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। বিজিবির তরফ থেকে মিয়ানমারকে ১৪টি কারখানার ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো বন্ধ করলে বাংলাদেশ উপকৃত হতো।

উত্তরে মিয়ানমার পক্ষ জানায়, তারাও ইয়াবার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত ৫০ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী কারখানাগুলো পাওয়া যায়নি।

প্রিয় সংবাদ/বাদল/খোরশেদ