(প্রিয়.কম)  ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর মাঠে গড়াচ্ছে আগামী ২ নভেম্বর থেকে। বিপিএলের প্রতিটি আসরেই পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। তবে এবারের আসরে পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমন সম্ভাবনাটা তৈরি হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সর্বশেষ সিদ্ধান্তে। 

আগামী ৪ঠা নভেম্বর শুরু হচ্ছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ আসর। আর এ টুর্নামেন্টে পাকিস্তানি শীর্ষ খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণটা বাধ্যতামূলক। তাই বিপিএলের পঞ্চম আসরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নাও দেখা যেতে পারে। বিপিএলের পাশাপাশি একই সময় অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগও। পাকিস্তানের গণমাধ্যম বলছে, এমন অবস্থায় ক্রিকেটাররা বিপিএল কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকার লিগে অংশ না নিয়ে ঘরোয়া লিগেই অংশ নিবেন।

যদিও এ নিয়ে চিন্তিত নয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, 'আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে এমন কিছু শুনিনি আমরা। এমন হলে বরং পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের জন্যই ক্ষতি হবে, বিপিএল বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট আসর। আমরা এ নিয়ে চিন্তিত নই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বিদেশি খেলোয়াড় রয়েছে। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আমরা না পেলে যারা সহজেই তাদের স্থান পূরণ করবে।'

এরই মধ্যে পাকিস্তানের ঘরোয়া লিগের স্পন্সর স্বত্ব বিক্রি হয়ে গেছে। তাই নির্ধারিত সময়েই শুরু হচ্ছে আসর। এ প্রসঙ্গে পিসিবির ডিরেক্টর অব মিডিয়া অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন কর্তা আমজাদ হোসেন বলেন, 'সব কিছু ঠিকঠাক নভেম্বরের তিন তারিখ থেকে মাঠে গড়াবে টুর্নামেন্ট। আর ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গে আমি বলতে পারি, তারা অবশ্যই ঘরোয়া জাতীয় লিগকে প্রাধান্য দিবেন।'

তবে শহীদ আফ্রিদি ও জুনায়েদ খান ইতিমধ্যে বিপিএলেই খেলবেন বলে নিশ্চিত করেছেন। এবারের আসরে পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার আফ্রিদির নতুন ঠিকানা ঢাকা ডায়নামাইটসে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষ সাত খেলোয়াড় ওয়াহাব রিয়াজ, উমর আকমল, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফখর জামান, মোহাম্মদ হাফিজ, আনোয়ার আলী ও ইমাদ ওয়াসিম।

প্রিয় স্পোর্টস/