(প্রিয়.কম) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। এখন পুষ্টি নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য। পুষ্টির সাথে অনেক কিছু সম্পৃক্ত। খাদ্যাভ্যাস উন্নত করতে হবে এবং সময়মতো খেতে হবে।’

১৩ আগস্ট রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় পুষ্টি পরিষদের প্রথম বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষ যেন সুষম খাদ্য পায়। গ্রামের মানুষের পুষ্টি নিশ্চিতে জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে। পুষ্টির বিষয়ে গ্রামাঞ্চলে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। যখনই খাদ্যের চাহিদা পূরণ করতে পারা যাবে, তখনই পুষ্টি পূরণ করতে পারা যাবে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখন বরাবরই আগের সরকারে কাছে থেকে খাদ্য ঘাটতি পেয়েছে। ১৯৯৬ সালের বিএনপি যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল ৪০ লাখ মেট্রিক টন।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ২৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত রেখে ক্ষমতা হস্তান্তর করে আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে তখনও দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল ৩০ লাখ মেট্রিক টন।

শেখ হাসিনা বলেন, ব্যাপক বন্যা যদি হয় তাহলে আমাদের খাদ্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য এই সমস্যা যাতে দেখা না দেয় তাই আমরা খাদ্য বাইরে থেকে ক্রয় করে মজুদ রাখার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতি হিসাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল ‘বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ‘ গঠনের আদেশ জারি করেন।১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরের বছর প্রথম জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। প্রায়  ২০ বছর পর ২০১৫ সালে সরকার জাতীয় পুষ্টি নীতি অনুমোদন করে।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ