(প্রিয়.কম) চলমান রোহিঙ্গা সংকটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে কোন সহায়তা প্রত্যাশা করেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ সেপ্টেস্বর (স্থানীয় সময় সোমবার) জাতিসংঘে এক বৈঠক শেষে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

ট্রাম্পের উদ্যোগে জাতিসংঘের সংস্কার বিষয়ক একটি বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেখান থেকে বেরিয়ে যাবার সময় শেখ হাসিনা কয়েক মিনিটের জন্য কথা বলেন ট্রাম্পের সাথে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ( ডোনাল্ড ট্রাম্প) শুধু জিজ্ঞেস করেছিলেন, বাংলাদেশ কেমন আছে? আমি বলেছিলাম, ‘ভালো, তবে আমাদের একমাত্র সমস্যা মিয়ানমার থেকে আসা শরণার্থীরা। কিন্তু শরণার্থীদের নিয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।’

এসময় শেখ হাসিনা রয়টার্সকে বলেন, শরণার্থীদের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান অনেক আগেই থেকে স্পষ্ট। তাই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে ট্রাম্পের কাছে সহায়তা চাওয়া কোন কাজে আসবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা আগেই ঘোষণা করেছে যে তারা শরনার্থীদের গ্রহণ করবে না। এরপর তার কাছে আর কি আশা করা যায়? বিশেষ করে ট্রাম্পের কাছে? তাহলে আমি তার কাছে এ বিষয়ে কেন জিজ্ঞেস করতে যাবো? এটা ঠিক যে বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্র নয়। কিন্তু তারপরও ১৬ কোটি মানুষকে আমরা খাওয়াতে পারছি। এর বাইরে নতুন করে আরো পাঁচ-সাত লাখ মানুষকেও বাংলাদেশ খাওয়াতে পারবে।

শেখ হাসিনা এসময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেবার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনার সাথে ট্রাম্পের আলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউজের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলাপচারিতার বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে রোহিঙ্গাদের বিষযয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগ্রহী।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন নিউইয়র্ক সফরে রয়েছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

সূত্র: রয়টার্স

প্রিয় সংবাদ/মিজান